Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আজ কলকাতায় বৈঠক, নেত্রীর বার্তার দিকে তাকিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতারা

আজ কলকাতায় বৈঠক, নেত্রীর বার্তার দিকে তাকিয়ে উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতারা
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: আজ নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূলের মেগা বৈঠক। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সব জেলার নেতাদের এদিন ‘নির্বাচনী টনিক’ দেবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের এই কর্মসূচিকে ঘিরে দলের নিচুতলার কর্মী ও নেতৃত্বদের মধ্যে উৎসাহ তুঙ্গে। ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে দলের সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে দলনেত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে তাঁরা। পাশাপাশি রদবদল হলে ‘এক পদ এক ব্যক্তি’ নীতি নিয়ে ‘বাংলার অগ্নিকন্যা’ কী বলেন, সেদিকেও নজর কর্মীদের।
Advertisement
বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে দৃপ্তকণ্ঠে তৃণমূল সুপ্রিমো ঘোষণা করেছেন, এক-তৃতীয়াংশ আসন নিয়ে ফের ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল। তাই, দলের সংগঠনকে বুথস্তর পর্যন্ত সতেজ করতে ও নতুন করে ঝালিয়ে নিতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করছে শীর্ষনেতৃত্ব। নেওয়া হচ্ছে একাধিক রণকৌশল। বিরোধীদের এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়তে নারাজ ঘাসফুল শিবির। এই আবহে আজ কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে বৈঠক হবে। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে থাকবেন দলের সাংসদ, বিধায়ক, জেলা পরিষদের সভাধিপতি, জেলা ও ব্লক সভাপতি সহ বিভিন্ন শাখা সংগঠনের সভাপতিরা। বৈঠকে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার গুরুত্ব যথেষ্ট বলে মনে করছেন রাজনীতিবিদরা। কেননা, এই জেলায় মোট ৩৩টি বিধানসভা আসন রয়েছে। এর মধ্যে তিনটিতে তৃণমূলের বিধায়ক নেই। সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মতুয়া ভোট। এক্ষেত্রে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মতুয়া অধ্যুষিত বনগাঁর ক্ষেত্রে তৃণমূল কী স্ট্র্যাটেজি নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে সকলের। শুধু তাই নয়, ভোট প্রচারের ক্ষেত্রে এইসব কেন্দ্রে কী কৌশল নেওয়া হবে, সেই বার্তাও দিতে পারেন নেত্রী।
অন্যদিকে, বসিরহাট লোকসভার সাংসদ হাজি নুরুল ইসলাম প্রয়াত হয়েছেন। বিশেষ কারণে এই আসনে উপ নির্বাচন হয়নি। স্বাভাবিকভাবে কিছুটা হলেও থমকে রয়েছে উন্নয়নের কাজ। এই লোকসভা এলাকা নিয়ে নেত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেও তাকিয়ে কর্মীরা। তবে সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, নিচুতলার সংগঠন নিয়ে সুপ্রিমোর নিদান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূলের নেতারা বলছেন, বহু নেতা সরকারি পদে থেকেও দলীয় পদ আঁকড়ে বসে রয়েছেন। ‘এক পদ এক ব্যক্তি’ না হয়ে ‘দুই পদে এক ব্যক্তি’ হয়ে গিয়েছে। ফলে কর্মীদের মধ্যে এ নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে। কর্মীরা চাইছেন, সাংগঠনিক রদবদলের বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হোক।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ