জেরুজালেম, ১৮ মার্চ: দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা হয়নি। এর মাঝেই গাজায় ব্যাপক এয়ারস্ট্রাইক করল ইজরায়েল। যার ফলে মৃত্যু হয়েছে বহু প্যালেস্তানির। গাজার প্রশাসন জানিয়েছে, ইজরায়েলি সেনার হামলার জেরে এখনও পর্যন্ত ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে অনুমান গাজার প্রশাসনের। আজ, মঙ্গলবার ভোর রাত থেকেই লাগাতার গাজায় হামলা চালাচ্ছে ইজরায়েল। যার তীব্র বিরোধিতা করেছে হামাস জঙ্গি গোষ্ঠী। তারা জানিয়েছে, পণবন্দিদের ‘বলিদানের’ বিনিময়ে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করছে ইজরায়েল। যদিও তেল আবিবের দাবি, গাজায় শুধুমাত্র হামাসদের দখলে থাকা এলাকাগুলিতেই হামলা চালাচ্ছে তাঁরা।
একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, গাজায় প্রথম যুদ্ধবিরতির অবসানের পর এত বড় হামলা চালাল ইজরায়েল। গত ১৫ জানুয়ারি, আমেরিকা, কাতার ও মিশরের উদ্যোগে ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। যা লাগু হয়েছিল ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ অবধি। যদিও সেই সময়সীমা বাড়াতে হামাসকে বারবার অনুরোধ জানায় ইজরায়েল। কিন্তু তাতে সাড়া দেয়নি হামাস, এমনটাই অভিযোগ করে তেল আবিব। তাই গাজায় নানারকম বাধার সৃষ্টি করে ইজরায়েল। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে, ত্রাণ আটকে হামাসকে যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বাড়ানোর জন্য চাপ দিতে থাকে তেল আবিব। যদিও তাতে এখনও সাড়া দেয়নি হামাস। সেই কারণেই এবার এই বড়সড় হামলা চালাল ইজরায়েল। এমনটাই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা।
জানা গিয়েছে, আকাশপথে ইজরায়েলি সেনা হামলা চালিয়েছে গাজা সিটি, দের-আল-বালাহ, খান ইউনুস ও রাফা সহ একাধিক জায়গায়। এই ভয়াবহ হামলার বিষয়ে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইজরায়েল আমাদের জানিয়েই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অপরদিকে দক্ষিণ সিরিয়াতেও এয়ারস্ট্রাইক করেছে ইজরায়েল। যার ফলে মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। জখম ১৯।