Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

আইনি পথে পরিচালকরা

আইনি পথে পরিচালকরা
  • ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবিধান বহির্ভূত কার্যকলাপের জন্য এবার ফেডারেশনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে চলেছে ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়া। মঙ্গলবার প্রেসক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠকে ডিএআই-এর সভাপতি সুব্রত সেন বলেন, ‘যে সমস্ত বেআইনি বা সংবিধান বহির্ভূত কার্যকলাপ যেগুলি আমাদের পরিচালক, টেকনিশিয়ান থেকে শুরু করে প্রত্যেকের উপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে ফতোয়া হিসেবে তার বিরুদ্ধে আমরা আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছি।’ সুব্রত জানান, ‘ডিএআই-এর পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমরা দিল্লিতে আইনজীবির সঙ্গে কথা বলে কম্পিটিশন কমিশন অব ইন্ডিয়ার কাছে একটি কেস ফাইল করব।’ এই ব্যাপারে ফেডারেশন সভাপতি বলেন, ‘এই মাত্র বিষয়টি জানলাম। পুরো প্রেস কনফারেন্সটা দেখে পর্যালোচনা করে যা বলার পরে বলব।’ প্রস্তাবিত কেসের সমস্ত নথিপত্র মঙ্গলবারই দিল্লিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুব্রতর দাবি, আজ অথবা বৃহস্পতিবার কেস ফাইল হয়ে যাওয়ার কথা। তাঁর আরও দাবি, অবিলম্বে বেআইনি ফতোয়াগুলোকে তুলে নেওয়া হোক। পাশাপাশি আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে বিনোদন শিল্পের একটা নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হোক। ডিএআই-এর সম্পাদক সুদেষ্ণা রায় বলেন, ‘একটি ছবির পরিচালকের শুটিং করা নিয়ে টালিগঞ্জ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে অচলাবস্থা কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি তৈরি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু বারবার সচেতন করা সত্ত্বেও তিন মাস কেটে গেলেও সেই কমিটির কোনও নোটিফিকেশনই হয়নি। আমরা অত্যন্ত হতাশ।’  শুটিং-এ প্রয়োজনের অতিরিক্ত কলাকুশলী নিয়োগে বাধ্য করা, যোগ্যদের সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা, বেআইনি ভাবে শুটিং-এর সময়ের তারতম্য ঘটানোর মতো পনেরো দফা অসঙ্গতির দিক তুলে ধরেন তাঁরা। অভিনেতা পরিচালক অনির্বাণ ভট্টাচার্য বলেন, ‘আমাদের বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ এই মুহূর্তে খাদের কিনারায় এসে দাঁড়িয়েছে। আলোচনা, প্রতিবাদ, আইনি পদক্ষেপ যেকোনও ভাবে হোক সমাধান সূত্র বার করা আসু প্রয়োজন। তা না হলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বেন কলাকুশলীরা। ফলে এটা ডিরেক্টর্স বনাম টেকনিশিয়ান কোনও যুদ্ধ নয়। সমস্যাটা সর্বস্তরের।’ এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, ইন্দ্রনীল দাশগুপ্ত, জয়দীপ মুখোপাধ্যায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ