Bartaman Logo
৩০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

রাস্তার গুণমান যাচাই করবে এআই, গাফিলতি প্রমাণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, শীঘ্রই রাজ্যে শুরু ১৫ হাজার কিমি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণের কাজ

শীঘ্রই বাংলাজুড়ে শুরু হবে ১৫ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক তৈরির কাজ। ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের কোষাগার থেকে সাত হাজার কোটিরও বেশি টাকা খরচ করে এই কাজ হবে।

রাস্তার গুণমান যাচাই করবে এআই, গাফিলতি প্রমাণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, শীঘ্রই রাজ্যে শুরু ১৫ হাজার কিমি গ্রামীণ রাস্তা নির্মাণের কাজ
  • ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শীঘ্রই বাংলাজুড়ে শুরু হবে ১৫ হাজার কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক তৈরির কাজ। ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের কোষাগার থেকে সাত হাজার কোটিরও বেশি টাকা খরচ করে এই কাজ হবে। পঞ্চায়েত দপ্তরের তত্ত্বাবধানেই হবে কাজ। তবে এবার ‘পথশ্রী’র কাজের গুণমান বজায় রাখতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে নবান্ন। সেই কারণে কাজে লাগানো হচ্ছে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি। জানা গিয়েছে, রাস্তা নির্মাণ চলাকালীন প্রতিটি স্তরের ছবি তুলে আপলোড করতে হবে নির্দিষ্ট অ্যাপের মাধ্যমে। সেই ছবি বিশ্লেষণ করেই কাজের গুণগত মান যাচাই করবে এআই। কোথাও নিম্নমানের সামগ্রী বা কাজে গাফিলতি ধরা পড়লেই সংশ্লিষ্ট আধিকারিক-এজেন্সির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

Advertisement

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের জন্য টেন্ডার ডাকার কাজ শুরু হয়েছে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই ওয়ার্ক অর্ডার ইস্যু হবে। তারপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে রাস্তা নির্মাণের কাজ চালু করার কথা রয়েছে। প্রশাসনিক মহলের খবর, কাজের গুণমান বজায় রাখতে বিশেষ ‘কোয়ালিটি মনিটরিং ইন্সপেকশন সিস্টেম’ চালু করা হবে। ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে থাকবেন ৩০ জন স্টেট কোয়ালিটি মনিটর থেকে শুরু করে পঞ্চায়েত দপ্তরের পদস্থ কর্তাব্যাক্তি ও ইঞ্জিনিয়াররা। আবার, এক জেলার আধিকারিককে দিয়ে অন্য কোনও জেলার কাজের গুণমান যাচাইয়ের ভাবনাও হয়েছে। 
রাজ্যের এক কর্তা জানিয়েছেন, আধিকারিকরা পরিদর্শনে গিয়ে যে ছবি তুলবেন, তা তাঁদের অ্যাপে তুলে দিতে হবে। তার সঙ্গে তাঁদের স্বাক্ষরিত একটি ‘ইন্সপেকশন রিপোর্ট’ও জমা দিতে হবে অনলাইনে। রাস্তা তৈরির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মোট চারটি পর্যায়ে যাচাইয়ের প্রয়োজন পড়ে। প্রতিটি স্তরেই দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে রিপোর্ট তুলতে হবে অ্যাপে। যা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে যাচাই করার ফলে দ্রুত কাজের গুণমান সংক্রান্ত রিপোর্ট চলে আসবে পঞ্চায়েত দপ্তরের পদস্থ কর্তাদের হাতে। ফলে কোনও স্তরে কাজের গাফিলতি ধরা পড়লে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে। এক আধিকারিকের কথায়, ‘আগে একেবারে হাতে হিসেব কষে এই কাজ করতে হত আধিকারিকদের। যা ছিল যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ। এক্ষেত্রে সেই সমস্যা মিটবে।’ এছাড়াও, নির্মাণ সামগ্রীর গুণমান পরীক্ষা চলবে কল্যাণীতে অবস্থিত পঞ্চায়েত দপ্তরের ল্যাবরেটরিতে। এই কাজের জন্য একাধিক আইটিআই, পলিটেকনিক ইঞ্জিনিয়ারের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে বলে খবর।    

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ