


নয়াদিল্লি: সিনেমার জগতেও বাজিমাত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার। নির্দিষ্ট কোনো অংশ নয়, গোটা সিনেমাটাই বানিয়ে ফেলা সম্ভব এআই দিয়ে। এতটাই নিখুঁত, দেখে মনে হবে না এআই-এর কাজ। ইতিমধ্যেই যার সমালোচনায় সরব হলিউড।
চীনের শীর্ষ প্রযুক্তি সংস্থা বাইটড্যান্স সম্প্রতি তাদের নতুন প্রজন্মের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর ভিডিয়ো জেনারেশন মডেল ‘সিড্যান্স ২.০’ বাজারে এনেছে। এই মডেলটি মাল্টিমোডাল এআই প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে নির্মিত। অর্থাৎ লেখা, স্থিরচিত্র, ভিডিয়ো ক্লিপ এবং অডিও ইনপুট বিশ্লেষণ করে সিনেমা তৈরি করতে সক্ষম। সংস্থার দাবি, সর্বোচ্চ ১০৮০পি রেজলিউশনে প্রায় ১৫ সেকেন্ড পর্যন্ত সিনেম্যাটিক মানের ভিডিও তৈরি করতে পারে সিড্যান্স। সেই ভিডিয়োতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাউন্ড এফেক্ট, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, এমনকি সংলাপের সিঙ্ক্রোনাইজেশনও বজায় রাখা সম্ভব। কিছু রেফারেন্স ছবি বা ভিডিয়ো আপলোড করলেই এআই বুঝে নেবে কেমন সিনেমা তৈরি করতে হবে। চাইলে নির্দিষ্ট ক্যামেরা মুভমেন্ট, ভিজ্যুয়াল স্টাইল ও চরিত্রের ধারাবাহিকতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ব্যবহারকারী। ইতিমধ্যে চীনের বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে এই প্রযুক্তিতে তৈরি একাধিক ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। তার অধিকাংশই বিখ্যাত কিছু হলিউড সিনেমার অনুকরণে তৈরি। এমনকি টম ক্রুজ, ব্র্যাড পিটের মতো অভিনেতাদেরও লড়তে দেখা যাচ্ছে এআই নির্মিত ভিডিয়োগুলিতে। আর এতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন সিনেমা নির্মাতারা। মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন সিড্যান্স ২.০-এর সমালোচনা করে এক বিবৃতিতে বলেছে, এর মাধ্যমে কপিরাইট লঙ্ঘনের ঘটনা বাড়বে।