নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভোররাত ৩টে বেজে ১৮ মিনিট। কসবা ট্রাফিক গার্ডের আউটপোস্টে খবর আসে, রুবি থেকে কালিকাপুর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা ঘটেছে। মেট্রোর পিলারে সরাসরি ধাক্কা মেরেছে খয়েরি রঙের বিলাসবহুল একটি গাড়ি। গাড়িতে নাবালক সহ তিনজন গুরুতর জখম। ঢিলছোড়া দূরত্বে দ্রুত পৌঁছয় এক ট্রাফিক সার্জেন্ট। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করার সময়েই প্রকাশ্যে আসে ট্যাংরার তিন রহসমৃত্যুর ঘটনা। দুর্ঘটনায় পড়া গাড়িটি ট্যাংরার শীল লেন থেকে বেরিয়েছিল রাত ১টা বাজার কিছু আগে। আত্মহত্যা নাকি খুন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে আড়াই ঘণ্টার ‘জাঁতাকলে’ আটকে পুলিস।
Advertisement
রহস্য উদ্ঘাটনে ‘ব্যাক ক্যালকুলেশন’ শুরু করেন তদন্তকারীরা। মঙ্গলবার রাত ১২টা বেজে ৫৩ মিনিট। ট্যাংরার বাড়ি থেকে বের হয় গাড়িটি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বলছে, চালকের আসনে ছোট ভাই প্রসূণ দে। তার পাশের আসনে ১৪ বছরের ভাইপো। সবশেষে মদের বোতল বগলদাবা করে পিছনের আসনে বড় ভাই প্রণয়। এখানেই খটকা! গাড়ি বেরল মধ্যরাতে। আর দুর্ঘটনা ঘটল ৩টে বেজে ১৮ মিনিটে। অথচ রাতের ফাঁকা রাস্তায় ট্যাংরার শীল লেন থেকে বাইপাস ধরে রুবি ক্রসিং পেরিয়ে ঘটনাস্থল পর্যন্ত পৌঁছতে ১৫-২০ মিনিট সময় লাগার কথা। তাহলে ২ ঘণ্টা ২৫ মিনিট কোথায় চক্কর কাটল গাড়িটি?
ট্যাংরা থেকে রাস্তার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু হয়। প্রায় ৫০টির বেশি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। তাতেই ধরা পড়ে চাঞ্চল্যকর দৃশ্য। প্রথমে চিংড়িঘাটা ব্রিজ ধরে সল্টলেকে ঢোকে গাড়িটি। এরপর নিউটাউন, রাজারহাট, বাগুইআটি হয়ে উল্টোডাঙা ফ্লাইওভারে ধরে ফের ইএম বাইপাস। তদন্তকারীদের দাবি, এই পথ ঘুরে বাইপাস ধরে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে আড়াইঘণ্টার অনেক কম সময় লাগবে। তাহলে কীসের অপেক্ষায় ছিলেন দুই ব্যবসায়ী? ট্যাংরার বাড়িতে দুই বউয়ের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরেই কি গাড়ি নিয়ে মেট্রোর পিলারে ধাক্কা মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা? ট্যাংরার বাড়ির ভিতরেও সিসি ক্যামেরা লাগানো। তবে ওই দুই ভাই কি মোবাইলের পর্দায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজেই নজর রাখছিলেন? ধোঁয়াশা এখন চরমে। তদন্ত পর্বে দে পরিবারের জীবিত সদস্য প্রণয় দে দাবি করেন, পরিবারের সবাই মিলে পায়েসে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খেয়েছিলেন। পুলিস বলছে, আচ্ছন্ন অবস্থায় থাকলেও, আড়াইঘণ্টার যাত্রাপথে কোথাও দুর্ঘটনা ঘটল না। কিন্তু, রুবির কাছে এসেই মেট্রো পিলারে সরাসরি ধাক্কা। দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারের সময় কর্তব্যরত অফিসারকে প্রসূণ জানিয়েছিলেন, ‘আমার চোখ লেগে গিয়েছিল।’ আদৌ কি তাই? উত্তর খুঁজছে পুলিস।
ট্যাংরা থেকে রাস্তার সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু হয়। প্রায় ৫০টির বেশি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। তাতেই ধরা পড়ে চাঞ্চল্যকর দৃশ্য। প্রথমে চিংড়িঘাটা ব্রিজ ধরে সল্টলেকে ঢোকে গাড়িটি। এরপর নিউটাউন, রাজারহাট, বাগুইআটি হয়ে উল্টোডাঙা ফ্লাইওভারে ধরে ফের ইএম বাইপাস। তদন্তকারীদের দাবি, এই পথ ঘুরে বাইপাস ধরে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে আড়াইঘণ্টার অনেক কম সময় লাগবে। তাহলে কীসের অপেক্ষায় ছিলেন দুই ব্যবসায়ী? ট্যাংরার বাড়িতে দুই বউয়ের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পরেই কি গাড়ি নিয়ে মেট্রোর পিলারে ধাক্কা মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা? ট্যাংরার বাড়ির ভিতরেও সিসি ক্যামেরা লাগানো। তবে ওই দুই ভাই কি মোবাইলের পর্দায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজেই নজর রাখছিলেন? ধোঁয়াশা এখন চরমে। তদন্ত পর্বে দে পরিবারের জীবিত সদস্য প্রণয় দে দাবি করেন, পরিবারের সবাই মিলে পায়েসে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খেয়েছিলেন। পুলিস বলছে, আচ্ছন্ন অবস্থায় থাকলেও, আড়াইঘণ্টার যাত্রাপথে কোথাও দুর্ঘটনা ঘটল না। কিন্তু, রুবির কাছে এসেই মেট্রো পিলারে সরাসরি ধাক্কা। দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধারের সময় কর্তব্যরত অফিসারকে প্রসূণ জানিয়েছিলেন, ‘আমার চোখ লেগে গিয়েছিল।’ আদৌ কি তাই? উত্তর খুঁজছে পুলিস।



