Bartaman Logo
৩ জুলাই, ২০২৬

আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: মৃত্যুর পরও স্টিয়ারিং ছাড়েননি পাইলট!

আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে প্রায় ১ বছর। এখনও কাটেনি আতঙ্কের কালো মেঘ। রাস্তাঘাটে ছড়িয়ে থাকা মৃতদেহ, পোড়া গন্ধ আজও তাড়া করে বেড়ায় প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনহারাদের। সম্প্রতি এমনই এক প্রত্যক্ষদর্শী রোমিন বহরা তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।

আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা: মৃত্যুর পরও স্টিয়ারিং ছাড়েননি পাইলট!
  • ১৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনার পর কেটে গিয়েছে প্রায় ১ বছর। এখনও কাটেনি আতঙ্কের কালো মেঘ। রাস্তাঘাটে ছড়িয়ে থাকা মৃতদেহ, পোড়া গন্ধ আজও তাড়া করে বেড়ায় প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনহারাদের। সম্প্রতি এমনই এক প্রত্যক্ষদর্শী রোমিন বহরা তাঁর অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন।  

Advertisement

বিমান দুর্ঘটনায় পরিবারের ৩ সদস্যকে হারিয়েছেন রোমিন। দেহ শনাক্ত করতে মর্গে ঢুকতে হয়েছিল তাঁকে। প্রথমেই আমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় মৃত এয়ার ইন্ডিয়ার পাইলট সুমিত সাভারওয়ালের কথা জানিয়েছেন তিনি। মৃত্যুর পরও তিনি নাকি বিমানের স্টিয়ারিং ছাড়েননি। রোমিনের কথায়, ‘মর্গের এক কোণে রাখা ছিল পাইলটের দেহ। বসার ভঙ্গিতেই ছিলেন তিনি। পিঠ সম্পূর্ণ পোড়া। শরীরের সামনের অংশে লেপটে ছিল সাদা পোশাক। কাঁধে চারটি সোনালি ডোরাকাটা ইউনিফর্ম। দু’হাতে কিছু একটা আঁকড়ে ধরে রেখেছিলেন।’ ভালো করে পর্যবেক্ষণ করে রোমিন বুঝতে পারেন, তা বিমানের স্টিয়ারিং। মর্গের এক চিকিৎসকও তাঁর অনুমান সঠিক বলে জানান। অর্থাৎ দুর্ঘটনা এড়াতে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন পাইলট। 
রোমিন আরও বলেন, ওই জায়গা ছিল নরকের চেয়েও বিভীষিকাময়। মেঝেতে ছড়িয়ে মৃতদেহ। কোনোটাই সম্পূর্ণ নয়। কারও মাথা নেই। কারও বিছিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ। কোলে সন্তানকে জড়িয়ে দগ্ধ মা। দুর্ঘটনায় মৃত ভাগ্নির দেহাংশ খুঁজতে তাঁকে হিমশিম খেতে হয় বলে জানিয়েছেন রোমিন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ