Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিকেল হলে মেলা, ক্যানিংয়ের মৌখালি সেতু নয়া পর্যটন কেন্দ্র

দু’দিকে ছোট ছোট জলাশয়। কিছু জায়গায় রয়েছে ভেড়ি। চারদিক গাছগাছালিতে ভর্তি।

বিকেল হলে মেলা, ক্যানিংয়ের মৌখালি সেতু নয়া পর্যটন কেন্দ্র
  • ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দু’দিকে ছোট ছোট জলাশয়। কিছু জায়গায় রয়েছে ভেড়ি। চারদিক গাছগাছালিতে ভর্তি। তাতে ওই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। এর মধ্যে দিয়েই চলে গিয়েছে ক্যানিংয়ের মৌখালি সেতু। আর এটাই এখন যেন নয়া পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। বিকেল হলেই মেলা বসছে সেখানে। দূর দূর থেকে মানুষজন এসে উপভোগ করছেন সন্ধ্যা। কেউ ঘুরছেন, কেউ আবার রিল বানাচ্ছেন। রাত পর্যন্ত জমজমাট থাকছে এই সেতু।

Advertisement

লর্ড ক্যানিংয়ের ভগ্নপ্রায় বাড়ির পাশ দিয়েই অ্যাপ্রোচ রোড ধরে শুরু এই মৌখালি সেতুর। শেষ হয়েছে জীবনতলার মৌখালিতে। এটি মূলত ক্যানিং ১ এবং ক্যানিং ২ নম্বর ব্লককে জুড়েছে। কয়েক মাস আগেই সেতুটির উদ্বোধন হয়েছে। তারপর থেকেই সাধারণ মানুষের ভিড় লেগে রয়েছে এই চত্বরে। 
ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক রিল ছড়িয়ে পড়েছে। সেটা দেখেও অনেকে মৌখালি সেতুর প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে ছুটে আসছেন।
বিকেল হলেই ঘুগনি, চা, ফুচকা সহ নানা খাবারের অস্থায়ী দোকান বসে যায় সেতুর ধারে। ছোট ব্যবসায়ীরা ভ্যানে খেলনা, বেলুনের পসরা সাজিয়ে বসে পড়েন। যত সময় গড়ায় ভিড় ততই বাড়ে। পরিস্থিতি এমন হয় যে গাড়ি যাতায়াতে সমস্যা দেখা দেয়। বৃষ্টি না হলে অনেকেই সূর্যাস্ত দেখার জন্য ভিড় করেন। কম বয়সিদের মধ্যে সেলফি তোলার হিড়িক পড়ে যায় তখন। সন্ধ্যার পর সেতুর আলো জ্বলে ওঠে। তখন আবার এই সেতুর সৌন্দর্য অন্যরকম। কচিকাঁচা থেকে যুবক-যুবতীদের ভিড় বেশি থাকে। বাইক নিয়ে নানারকম কেরামতি করতেও দেখা যায় চালকদের। তবে অনেকে বিপজ্জনক স্টান্ট শো করতে গিয়ে পুলিসের হাতে ধরাও পড়েছেন।
নাজমা বিবি নামে এক মহিলা বলেন, চারদিক ফাঁকা, মনোরম পরিবেশে একটু সময় কাটাতেই এখানে এসেছি। লক্ষ্ণণ হালদার নামে আরেক পর্যটকের মন্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ায় এই জায়গার অনেক ভিডিও দেখেছি। তাই দেখতে এলাম জায়গাটি। তবে এত ভিড় হবে ভাবিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ