Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাড়ে সাত হাজার ভোটারের শুনানির নথি আপলোড হয়নি, উদ্বেগ প্রশাসনিক মহলে

এসআইআরের শুনানি শেষ হয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু সেদিন পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি বিধানসভায় যাঁদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের সবার নথি আপলোড করা যায়নি।

সাড়ে সাত হাজার ভোটারের শুনানির নথি আপলোড হয়নি, উদ্বেগ প্রশাসনিক মহলে
  • ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এসআইআরের শুনানি শেষ হয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু সেদিন পর্যন্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩১টি বিধানসভায় যাঁদের হিয়ারিংয়ে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের সবার নথি আপলোড করা যায়নি। হিসাব করে দেখা গিয়েছে, জেলায় সাড়ে সাত হাজার ভোটারের নথি পোর্টালে তোলা বাকি থেকে গিয়েছে। এই কাজ আর করা যাচ্ছে না। ফলে এঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Advertisement

জেলা প্রশাসনও কিছুটা উদ্বিগ্ন। এই সব ভোটারদের নথি ফের আপলোড করার সুযোগ পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশন এখনও কিছু বলেনি। যদিও জেলা থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কেন করা গেল না সবার নথি আপলোড? প্রশাসনিক কর্তাদের ব্যাখ্যা, বেশ কিছু বিধানসভায় বিপুল সংখ্যক ভোটারের তথ্যে অসঙ্গতি ধরা পড়েছিল। তাঁদের শুনানি করতে লেগে গিয়েছে অনেক সময়। ফলে অতিরিক্ত লোকবল লাগিয়েও নির্ধারিত দিনক্ষণের মধ্যে সব কাগজ তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি। এই জেলায় সাড়ে ১৮ লক্ষ ভোটারের শুনানি হয়েছিল। তার মধ্যে মেটিয়াবুরুজ বিধানসভায় সংখ্যাটা ছিল ১ লক্ষের বেশি। শহুরে বিধানসভা হওয়ায় নির্বাচনী আধিকারিকের সংখ্যা ছিল কম। তবুও কমিশনের কাছে একাধিকবার অতিরিক্ত লোকবলের অনুমোদন চাওয়া হয়। সেই অনুমতি এসেছে শেষ লগ্নে। তাই তড়িঘড়ি কাজ শেষ হলেও নথি আপলোডের কাজ শেষ করা যায়নি পুরোটা। এছাড়াও একাধিক সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিধানসভায় তথ্যের অসঙ্গতির কারণে ডাক পাওয়া ভোটারের সংখ্যা ছিল তুলনামূলক অনেক বেশি। তাই সবারই হিয়ারিং শেষ করে নথি আপলোড করতে কালঘাম ছুটে যায় আধিকারিকদের। তারপরও সব জায়গায় কিছু তথ্য আপলোড বাকি থেকে গিয়েছে। প্রশ্ন হল, যাঁদের নথি তোলা গেল না পোর্টালে তাঁদের নাম কি চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় থাকবে না? সবটাই এখন নির্ভর করছে নির্বাচন কমিশনের উপর। যেসব আধিকারিক এই কাজ করতে ব্যর্থ হলেন, তাঁদের ঘাড়ে কি নেমে আসবে শাস্তির খাঁড়া, শুরু হয়েছে জল্পনা। প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, সবাই আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। তবুও কিছু বাকি থেকে গিয়েছে। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়।

সম্পর্কিত সংবাদ