নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিটি সিভিল কোর্টে বিচারকের দেহরক্ষী সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলি করে আত্মঘাতী হওয়ার পর নড়েচড়ে বসেছে লালবাজার। আদালত খোলার আগে ও কাজ শেষের পর কোর্ট চত্বর ভালো করে তল্লাশির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে পুলিসকর্মী বা সাধারণ ব্যক্তি আদালতে থেকে গেলে ধরা পড়ে যান। পাশাপাশি কোন পুলিস কর্মী কোথায় এবং কী অস্ত্র নিয়ে ডিউটি করছেন, সেই তথ্য জানাতে বলা হয়েছে বলে খবর।
Advertisement
বুধবার ভোরে সিটি সিভিল কোর্টে সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন কনস্টেবল গোপালকুমার নাথ (৪৫)। মঙ্গলবার ডিউটি করলেও রাতে বাড়ি ফেরেননি তিনি। কাউকে কিছু না জানিয়ে আদালতে থেকে যান। এই ঘটনার পর টনক নড়েছে লালবাজারের। আধিকারিকরা জানতে পেরেছেন, অনেক পুলিসকর্মী আদালতে ডিউটি সেরে সেখানেই থেকে যাচ্ছেন। কেউ কেউ নিয়ম ভেঙে আদালতেই অস্থায়ীভাবে থাকার জায়গা করেছেন। কারও বাড়ি দূরে হওয়ায় সকালের ডিউটি করতে অসুবিধার যুক্তি খাড়া করে থেকে যাচ্ছেন। নিয়মে বলা আছে, আদালতে যে পুলিসকর্মীরা ডিউটি করবেন, কাজ শেষে তাঁদের সংশ্লিষ্ট ইউনিটে রিপোর্ট করে বাড়ি ফিরতে হবে। শুধু তাই নয়, তাঁদের কাছে সার্ভিস রিভলবার থেকে যাচ্ছে। যা জমা পড়ার কথা ইউনিটের আর্মারিতে। ওই কনস্টেবল নিজের সার্ভিস রিভলবার জমা না দিয়ে রেখে দিয়েছিলেন। সেকারণেই তিনি গুলি করে আত্মঘাতী হয়েছেন। পাশাপাশি বাইরের অনেকে আদালতকে ‘বাড়ি’ বানিয়ে ফেলেছেন। সেখানেই তাঁরা রাত কাটিয়ে ভোরে নিজের চলে যাচ্ছেন। আবার আদালতে তালা পড়ার আগেই তাঁরা ঢুকে পড়ছেন।
এসব কারণেই এবার বাড়তি সতর্ক লালবাজার। ব্যাঙ্কশাল, শিয়ালদহ, আলিপুর সহ কলকাতার সমস্ত আদালতে নির্দেশ গিয়েছে তল্লাশির। আদালতের দায়িত্বে থাকা ওসিদের এই কাজ করতে হবে। নির্দেশে বলা হয়েছে, আদালত খোলার আগে সকালে কোর্ট চত্বর ঘুরে দেখবেন সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক। তল্লাশির পর ফিরে এসে তিনি জিডি করবেন। সব ঠিকঠাক রয়েছে কি না, তা উল্লেখ করতে হবে জিডিতে। যদি অবাঞ্ছিত কেউ থাকেন, তাহলে তাঁর কাছে কারণ জানতে চাওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি পুলিসকর্মী থেকে যান, তাহলে তাঁকেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে। আবার আদালত ছুটির পর ওসিকে পরিদর্শন করতে হবে। এক্ষেত্রেও তাঁকে জিডি করতে হবে। এতদিন দিনে একবার জিডি করার ব্যবস্থা চালু ছিল। এই রিপোর্ট প্রতিদিন রিজার্ভ ফোর্সের অফিসে পাঠাতে হবে।
এসব কারণেই এবার বাড়তি সতর্ক লালবাজার। ব্যাঙ্কশাল, শিয়ালদহ, আলিপুর সহ কলকাতার সমস্ত আদালতে নির্দেশ গিয়েছে তল্লাশির। আদালতের দায়িত্বে থাকা ওসিদের এই কাজ করতে হবে। নির্দেশে বলা হয়েছে, আদালত খোলার আগে সকালে কোর্ট চত্বর ঘুরে দেখবেন সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক। তল্লাশির পর ফিরে এসে তিনি জিডি করবেন। সব ঠিকঠাক রয়েছে কি না, তা উল্লেখ করতে হবে জিডিতে। যদি অবাঞ্ছিত কেউ থাকেন, তাহলে তাঁর কাছে কারণ জানতে চাওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। যদি পুলিসকর্মী থেকে যান, তাহলে তাঁকেও প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে। আবার আদালত ছুটির পর ওসিকে পরিদর্শন করতে হবে। এক্ষেত্রেও তাঁকে জিডি করতে হবে। এতদিন দিনে একবার জিডি করার ব্যবস্থা চালু ছিল। এই রিপোর্ট প্রতিদিন রিজার্ভ ফোর্সের অফিসে পাঠাতে হবে।



