চন্দননগরের ১৩টি জগদ্ধাত্রী পুজো ঘিরে বাড়তি উৎসাহ
  • ২ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: চন্দননগরের জগদ্ধাত্রী পুজো এমনিতেই জনপ্রিয়তার শিখরে থাকে। এবার সেই পুজোর জৌলুস আরও বাড়ছে একগুচ্ছ সুবর্ণজয়ন্তী ও হীরকজয়ন্তী বর্ষের পুজোকে ঘিরে। পুজোর কেন্দ্রীয় কমিটির সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি বছরে ১৩টি সুবর্ণ ও হীরকজয়ন্তী বর্ষের পুজো আছে, যা সাম্প্রতিক কালের নিরিখে সবচেয়ে বেশি। সেই সঙ্গে একটি রজত জয়ন্তী বর্ষের পুজোও এবার হবে। চন্দননগরবাসীর কাছে জগদ্ধাত্রী পুজো মানেই আবেগ। আর ‘জয়ন্তী’বর্ষের পুজোকে ঘিরে আবেগের বিস্ফোরণ, বলাই বাহুল্য বেশি হয়। আর তাতেই সামগ্রিক চন্দননগরের পুজোতে বাড়তি মাত্রা যোগ হয়ে থাকে। সেই মনিকাঞ্চণ যোগ এবারও দেখা যাবে বলে ওয়াকিবহাল মহল দাবি করছে।

Advertisement

এদিকে, চন্দননগরের পুজোতে এবারই প্রথমবার মণ্ডপে দর্শকদের ভিড় নিয়ন্ত্রণে সরাসরি যুক্ত থাকবেন পুলিশকর্মীরা। শনিবার চন্দননগর কমিশনারেটের তরফে পুজো উদ্যোক্তাদের নিয়ে বৈঠকে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় কমিটির দাবিতে শোভাযাত্রার দিনও প্রতিটি পুজো কমিটির শোভাযাত্রায় স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে পুলিশের সক্রিয় উপস্থিতি দেখা যাবে। এবারের দুর্গাপুজোর মরশুমে কলকাতার চোরবাগান ক্লাবের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পরে চন্দননগরের বিশ্বখ্যাত জগদ্ধাত্রী পুজোর আয়োজন সব মহলের কাছেই চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুজো কমিটির সঙ্গে বৈঠকে চন্দননগর কমিশনারেটের কমিশনার সুনীল যাদব বলেন, প্রতিটি পুজো মণ্ডপে প্রয়োজনমাফিক পুলিশকর্মী, অফিসাররা থাকবেন। সমস্ত রকম পদক্ষেপ করা হবে চন্দননগরের পুজোকে নির্বিঘ্নে পার করতে। চন্দননগর কেন্দ্রীয় জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভজিৎ সাউ বলেন, মণ্ডপের পাশাপাশি বিশ্বখ্যাত শোভাযাত্রাতেও পুলিশের বিশেষ সক্রিয়তা থাকুক, সেটা আমরা চেয়েছিলাম। সেই প্রেক্ষিতেই শোভাযাত্রার ৬৮টি পুজো কমিটির সঙ্গেই পুলিশ রাখার কথা কমিশনারেট আমাদের জানিয়েছে। জগদ্ধাত্রীভূমের স্বেচ্ছাসেবকরা ভিড় সামলাতে দক্ষ। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ফের একবার সাফ঩ল্যের সঙ্গে পুজো পরিচালনা করা হবে। এ বছরে সবচেয়ে বেশি সুবর্ণজয়ন্তী ও হীরকজয়ন্তী বর্ষের পুজো আছে, যা পুজো মরশুমের জৌলুস আরও একধাপ বৃদ্ধি করবে।