‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ছবির মাধ্যমে বড়োপর্দায় প্রত্যাবর্তন করছেন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা।একান্ত আড্ডায় নায়িকা শেয়ার করলেন নানা কথা।
‘বাটওয়ারা ১৯৪৭’ ছবির মাধ্যমে বড়োপর্দায় প্রত্যাবর্তন করছেন অভিনেত্রী প্রীতি জিন্টা।একান্ত আড্ডায় নায়িকা শেয়ার করলেন নানা কথা।
• অনেক দিন পর আবার পর্দায় ফিরছেন। ক্যামেরাকে মিস করেননি এতদিন?
•• সত্যি বলতে, খুব একটা মিস করিনি। ওই সময়টা পরিবার, সন্তান আর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই সুখে কাটিয়েছি। আমার কাছে কেরিয়ারের সব অর্জনের চেয়ে পরিবারই বড়ো। অভিনয়ের চেয়ে দেশকে মিস করেছি।
• দীর্ঘ সময় পর সেটে ফেরার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
•• সম্পূর্ণ আলাদা।আমার প্রথম পিরিয়ড ফিল্ম। একজন মা, গৃহিণী হিসাবে ছবির চরিত্রের সঙ্গে নিজেকে সহজেই মিলিয়ে নিতে পেরেছি।
• মা হওয়ার পর জীবনে সবচেয়ে বড়ো কী পরিবর্তন এসেছে?
•• জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে গিয়েছে। আগে নিজের ইচ্ছা আর সিদ্ধান্তই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, এখন সন্তানরাই সবার আগে।
• আজকের প্রজন্ম যাঁরা অভিনয়ে আসছেন, তাঁদের নিয়ে কী বলবেন?
•• আগে দর্শক অভিনেতাদের পর্দার চরিত্র হিসাবেই চিনতেন। বাস্তব জীবনে অভিনেতারা কেমন, সেই সম্পর্কে তাঁদের ধারণা ছিল না। কিন্তু এখন সোশ্যাল মিডিয়া সেই অভ্যাস বদলে দিয়েছে। তারকাদের জীবন এখন খোলা খাতার মতো।
• আপনার একাধিক ছবির চরিত্র এবং সংলাপ এখনও মানুষ মনে রেখেছেন...
•• হ্যাঁ। এটা আমার কাছে ভীষণই স্পেশাল। খুব কম মানুষই আমাকে প্রীতি বলে ডাকেন। ‘নয়না’, ‘জারা’ বলেই বেশি ডাক শুনি। (হাসি)
• আপনি তো এখন ভারতের বাইরে থাকেন। সন্তানদের কীভাবে ভারতের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ শেখাচ্ছেন?
•• আমার সন্তানরা অর্ধেক ভারতীয়, অর্ধেক আমেরিকান। তবে সাংস্কৃতিকভাবে ওরা ভারতীয় মূল্যবোধ নিয়েই বড়ো হচ্ছে। আমি চাই, ওরা ভারত ও আমেরিকা, দুই দেশেরই ভালো দিকগুলো শিখুক। কিন্তু এখন মা হওয়ার পর বুঝতে পেরেছি, একজন অভিভাবকের অনেক সীমাবদ্ধতা থাকে। মা হিসাবে আমি শুধু নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি, কারণ সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করা কখনোই সম্ভব নয়।
দেবারতি ভট্টাচার্য • মুম্বই