সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: পছন্দের মানুষের কাছে পৌঁছনোর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল দেড় বছরের মেয়ে। সেকারণেই একরত্তি শিশুকে খুন করা হয়েছে। মৃতের মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে উলুবেড়িয়া থানার পুলিস গ্রেপ্তার করেছে ফিরোজ জমাদার নামের এক ব্যক্তিকে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার বীরশিবপুরের খানজাদাপুরে। ধৃতকে এদিন উলুবেড়িয়া আদালতে তোলা হলে বিচারক পাঁচদিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিস মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিস সূত্রে জানা গেছে খানজাদাপুরে ফিরোজের চায়ের দোকান আছে। ওই দোকানের উপরেই ভাড়া থাকেন মাসিয়া বেগম। তিনি আবার ওই দোকানেই কাজ করেন। সূত্রের খবর, মাসিয়ার স্বামী না থাকায় এই সুযোগকে কাজে লাগাতে চেয়েছিল ফিরোজ। ওই মহিলার
উপর প্রথম থেকেই ‘কুনজর’ ছিল তার। তবে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল মাসিয়ার দেড় বছরের শিশু। অভিযোগ, বুধবার সকালে মাসিয়া দোকানে কাজ করতে আসার পর কিছু আনতে বাইরে যান। এই সুযোগে অভিযুক্ত চলে যায় ওই মহিলার ঘরে। কিছুক্ষণ বাদে মাসিয়া দেখেন, ফিরোজ তার ঘর থেকে বেরিয়ে আসছে। এরপর তিনি দ্রুত নিজের ঘরে গিয়ে দেখেন, মেয়ে উপুড় হয়ে পড়ে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উলুবেড়িয়ার শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মাসিয়া বেগম ফিরোজের নামে উলুবেড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিস ফিরোজকে গ্রেপ্তার করে। হাওড়া গ্রামীণ জেলা পুলিসের এক কর্তা বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর শিশুটির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।