Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আবাস দুর্নীতিতে ধৃত সঞ্জয় বসু আসলে ‘বলির পাঁঠা’, মন্তব্য বনগাঁ আদালতের

আবাস দুর্নীতিতে ধৃত সঞ্জয় বসু আসলে ‘বলির পাঁঠা’, মন্তব্য বনগাঁ আদালতের
  • ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, বনগাঁ: আবাস দুর্নীতিতে ধৃত বিডিও অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মী সঞ্জয় বসুকে ‘বলির পাঁঠা’ করা হয়েছে! এমনই পর্যবেক্ষণ বনগাঁ আদালতের। এই ঘটনার তদন্তে বনগাঁ পুলিস সুপারকে ১৯ ফ্রেব্রুয়ারি আদালতে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। উল্লেখ্য, ২০ জানুয়ারি গোপালনগর থানার পুলিস সঞ্জয় বসুকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত সঞ্জয় বনগাঁ বিডিও অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মী (চৌকিদার)। 
Advertisement
বনগাঁর বিডিও কৃষ্ণেন্দু ঘোষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস তাঁকে গ্রেপ্তার করেছিল। ধৃতের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে আসল ঘর প্রাপকদের পরিবর্তে অযোগ্যদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন তিনি। এই ঘটনায় আদালত ৬ ফেব্রুয়ারি ধৃতের জামিন মঞ্জুর করে।
তবে আদালতের পর্যবেক্ষণ, ধৃত সঞ্জয়কে আসলে ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে। এই ঘটনায় অনেক বড় মাথা যুক্ত। ধৃতের একার পক্ষে এতবড় ঘটনা ঘটানো সম্ভব না। ঘটনার তদন্তে বনগাঁ পুলিস সুপারের রিপোর্ট তলব করেছে আদালত। 
সঠিক সময়ে আদালতে রিপোর্ট জমা না দিলে বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত। জানা গিয়েছে ডিআইজি (বারাসত)-কে বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই ঘটনার তদন্তকারী আধিকারিকের ভর্ৎসনা করে আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই মামলা তাঁর পক্ষে তদন্ত করা সম্ভব নয়। ডিএসপি পদমর্যাদার আধিকারিক দিয়ে এই ঘটনার তদন্ত করতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত। এবিষয়ে অভিযুক্তের আইনজীবী দীপাঞ্জয় দত্ত বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলেছিলাম এই ঘটনায় সঞ্জয় বসু জড়িত নন। বিচারক বলেছেন, এই ঘটনায় অনেক প্রভাবশালী জড়িত।  
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ