Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সই জালিয়াতি কাণ্ডে বিপদ বৃদ্ধির আশঙ্কা অভিষেকের

সই জালিয়াতি কাণ্ডে বিপদ বৃদ্ধির আশঙ্কা অভিষেকের
  • ৩ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডে তদন্তের অভিমুখ যেদিকে, তাতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরো বেকায়দায় পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিধানসভার সচিবের কাছে জমা দেওয়া ফরওয়ার্ডিং লেটারটি তৃণমূলের সেনাপতির। তার সঙ্গে  বিধায়কদের সই করা নথি যুক্ত করা হয়েছে। তাই চিঠি যেহেতু অভিষেক দিয়েছেন তাই সই জালের দায় তিনি এড়াতে পারেন না বলে তদন্তকারীদের বক্তব্য। সই যে ‘জাল’ সেটি জেনেই চিঠির সঙ্গে ওই নথি যুক্ত করেছিলেন অভিষেক! সেই কারণে গুরুত্বপূর্ণ নথি জালিয়াতির ধারাতেই তিনি বেকাদায় পড়তে পারেন বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এদিকে এই কেসের তদন্তে বিধায়ক অরূপ রায়, শুভাশিস দাস ও বাহারুল ইসলামের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে চেয়ে সিআইডির আবেদন ব্যাঙ্কশাল আদালত মঞ্জুর করেছে।

Advertisement

বিধানসভায় সই জাল মামলায় ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের চিঠির সঙ্গে  বিধায়কদের সই করা যে নথি জমা দেওয়া হয়েছে তাতে একাধিক অসংগতি রয়েছে। ওই চিঠি বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা দেখেছেন, চিঠিতে থাকা বিধায়কদের ক্রমিক সংখ্যার ঠিক নেই। তাঁদের নজরে এসেছে ওই তালিকায় ক্রমিক নম্বর ৪-এর পর ৫ নম্বরটি মিসিং! একইভাবে ১৫-র পর ১৬ এবং ২৫-এর পর ২৬ সংখ্যাটি মিসিং! 
ক্রমিক সংখ্যায় এত বড়ো ভুল কীভাবে হল তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গোয়েন্দারা। যেখানে বিধানসভার সচিবের কাছে এই চিঠি যাচ্ছে, সই করার পর যে তারিখ বিধায়করা লিখেছেন বলা হচ্ছে, তাতে কাটাকুটিও রয়েছে! তৃণমূল মনোনীত ‘বিরোধী দলনেতা’ শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সইয়ের সঙ্গে দেওয়া তারিখেও ‘ওভার রাইট’ দেখা গিয়েছে। আরো কয়েকজনের ক্ষেত্রে ঘটেছে একই কাণ্ড! তদন্তকারীদের বক্তব্য, জালিয়াতি যে পদে পদেই করা হয়েছে, এসব থেকেই তা স্পষ্ট।  এদিকে, সই জালিয়াতি যে-ব্যক্তিটি করেছেন বলে অভিযোগ, তাঁকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে বলেই খবর।

সম্পর্কিত সংবাদ