Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গণতান্ত্রিকভাবে বিজেপিকে নিঃস্ব করার ডাক অভিষেকের

‘সর্বোচ্চ আদালতের উপর আমাদের আস্থা, ভরসা আছে। সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, তা গণতন্ত্রের জয়। এই জয় বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে বাংলার মানুষের

গণতান্ত্রিকভাবে বিজেপিকে নিঃস্ব করার ডাক অভিষেকের
  • ১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘সর্বোচ্চ আদালতের উপর আমাদের আস্থা, ভরসা আছে। সুপ্রিম কোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছে, তা গণতন্ত্রের জয়। এই জয় বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে বাংলার মানুষের। আগামী দিন বাংলার ৮০ হাজার বুথে গণতান্ত্রিকভাবে বিজেপিকে নিঃস্ব করতে হবে।’ দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুরেই এভাবে দেশের শীর্ষ আদালতের প্রতি আস্থা জ্ঞাপন করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেইসঙ্গে বুঝিয়ে দিলেন, সামনে দীর্ঘ লড়াই। তাই একজনকে সুস্থ থাকতেই হবে, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কারণেই ধরনা কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ বারবার করেছেন তিনি। তৃণমূল নেত্রী সেই অনুরোধ রেখেওছেন। আর সেইসঙ্গে বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন কর্মী-সমর্থকদের—‘আর মাত্র ৪৫-৫০ দিন সময়। তারপরই ভোট। তাই প্রস্তুত থাকুন। সতর্ক থাকুন। আত্মতুষ্টিতে ভুগবেন না।’ তাঁর এই সতর্কবার্তা যে গেরুয়া বাহিনীর যাবতীয় চক্রান্তের বিরুদ্ধে, তা বারবার স্পষ্ট করে দিয়েছেন নেত্রী ও তাঁর সেনাপতি। 

Advertisement

বস্তুত, ইনিউমারেশন ফর্ম বিলি শুরুর দিন থেকেই তাঁরা পথে। সেদিন থেকেই চড়া মাত্রায় ভোটযুদ্ধ শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। এই আন্দোলন রাজপথ থেকে সুপ্রিম কোর্টের অলিন্দ পর্যন্ত গড়িয়েছে। আর প্রত্যেক ক্ষেত্রে মানুষের কথা বলেছেন মমতা। আর হুঁশিয়ার করেছেন বিজেপির ষড়যন্ত্র নিয়ে। এদিনও তাঁর সতর্কবার্তা, ‘নির্বাচন এলেই বিজেপি টাকার থলি নিয়ে হাজির হয়ে যায় বাংলায়। দিল্লি থেকে বিজেপির তাবড় নেতারা ডেইলি প্যাসেঞ্জারি করেন। বাংলার সব প্রান্তে টাকা ছড়িয়ে দেন। এবার কিন্তু ওরা তৃণমূলের কোনো কোনো নেতা-কর্মীকে কেনার চেষ্টা করবে। সতর্ক থাকুন। আমিও সবদিকে নজর রাখছি।’
আগামী ১৪ তারিখ কলকাতার ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদির সভা রয়েছে। মমতার অনুমান, তারপরই নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে পারে। এদিন ধরনা তুলে নেওয়ার পরই প্রাক্তন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোসের সঙ্গে আলিপুরে গিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, ‘বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের এক মাস আগে রাজ্যপাল পরিবর্তন করা হয়েছে। রাজ্যপালের সঙ্গে অন্যায়-অবিচার হয়েছে। তাঁকে অনুরোধ করেছি, আপনি অনেকদিন বাংলায় ছিলেন। বাংলাটা বোঝেন। আবার বাংলাতেই আসুন।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ