নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নবম পর্যায়ের দুয়ারে সরকার শিবিরে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় মোট ১০ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছে। আবেদনগুলির নিরিখে ইতিমধ্যে প্রায় আট লক্ষ মানুষ পরিষেবা পেয়ে গিয়েছেন। একাধিক প্রকল্পের ক্ষেত্রে সমস্ত আবেদনকারীর পরিষেবা নিশ্চিত হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এবারের সমস্ত আবেদনকারীকেই পরিষেবা দেওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।
Advertisement
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এবারও বিনামূল্যে সামাজিক সুরক্ষা যোজনা প্রকল্পে সর্বাধিক আবেদন জমা পড়েছে। এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে মোট ৫ লক্ষ ২১ হাজার আবেদন জমা পড়েছিল। প্রত্যেকের আবেদনই মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া, বার্ধক্য ভাতার জন্য ১ লক্ষ ২২ হাজার, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের জন্য ১ লক্ষ ৪৯টি আবেদন মঞ্জুর হয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী, কৃষকবন্ধু, আর্টিজান রেজিস্ট্রেশন, বিধবা ভাতা, খাদ্যসাথী, জাতিগত শংসাপত্র, মানবিক প্রকল্প সহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধার সিংহভাগই মঞ্জুর হয়েছে বলে খবর। সূত্রের খবর, প্রতিবার দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে সঙ্গে সঙ্গে আবেদনকারীদের নথি যাচাই করা হয়। এবার আবেদনে কিছু ত্রুটি নজরে এসেছে। যাঁরা আগে আবেদন করেছিলেন, তাঁরা পরিষেবা না পাওয়ায় ফের আবেদন করেছেন। সেগুলি খতিয়ে দেখে আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে। ১৫টির বেশি প্রকল্পে ১০০ শতাংশ পরিষেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। ৭ লক্ষ ৮০ হাজার মানুষকে পরিষেবা দেওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।
তবে অনেক আবেদন বাতিলও করা হচ্ছে। জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী বলেন, ‘এবারের দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে মানুষের ভালো সাড়া ছিল। ইতিমধ্যে ৭৫ শতাংশ পরিষেবা প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আমরা পরিষেবা প্রদানের কাজ শেষ করব। এর জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে প্রতিটি ব্লককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে অনেক আবেদন বাতিলও করা হচ্ছে। জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী বলেন, ‘এবারের দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে মানুষের ভালো সাড়া ছিল। ইতিমধ্যে ৭৫ শতাংশ পরিষেবা প্রদান সম্পন্ন হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগেই আমরা পরিষেবা প্রদানের কাজ শেষ করব। এর জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ করতে প্রতিটি ব্লককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



