সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: উলুবেড়িয়ার জগৎপুর গ্রামের আনন্দ ভবন ডেফ অ্যান্ড ব্লাইন্ড স্কুল প্রাঙ্গণের বড় বড় গাছে রোজ ভিড় করে অজস্র পাখি। স্কুলের পড়ুয়া আব্দুল কাদির, হিমাংশু মাহাত, সোনালি মাহাত, সাবিত্রী মাহাতরা বিকেলে স্কুলের মাঠে বসে এইসব পাখিদের আনাগোনা দেখত। কিন্তু এতদিন পাখিদের মিষ্টি আওয়াজ শোনা থেকে বঞ্চিত ছিল এই শ্রবণ প্রতিবন্ধী পড়ুয়ারা। আজ, সোমবার বিশ্ব শ্রবণ দিবস। এই উপলক্ষ্যে তাঁদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হল ডিজিটাল শ্রবণ যন্ত্র। এজন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন উলুবেড়িয়ার বাসিন্দা, কেন্দ্রীয় সরকারের অবসরপ্রাপ্ত আধিকারিক শোভন বন্দ্যোপাধ্যায়।
Advertisement
স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, প্রতি বছর ৩ মার্চ দিনটিকে বিশ্ব শ্রবণ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। সেই উপলক্ষ্যে শোভনবাবু ১০টি ‘বাহাইন্ড দা ইয়ার’ (বিটিই) ডিজিটাল শ্রবণ যন্ত্র বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিয়েছেন। শোভন বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, শব্দ শোনার আনন্দ থেকে এইসব ছাত্রছাত্রীরা বঞ্চিত ছিল। এই শ্রবণ যন্ত্রের মাধ্যমে যদি এদের কিছুটা উপকার হয়, তাহলে আমি খুশি। আগামী দিনে স্কুলের ৫৮ জন শ্রবণ প্রতিবন্ধী পড়ুয়ার হাতে শ্রবণ সহায়ক যন্ত্র তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা আছে বলে জানান শোভনবাবু।
আর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজয় দাস জানান, এইসব শিশুদের বাক যন্ত্রের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু এরা শুনতে পায় না বলে এদের শব্দ ভাণ্ডার গড়ে ওঠে না। এই শ্রবণ যন্ত্রের ফলে তাঁদের পঠনপাঠনে অনেক উপকার হবে। শোভনবাবুর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি, উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক মানসকুমার মণ্ডলও।
আর বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক অজয় দাস জানান, এইসব শিশুদের বাক যন্ত্রের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু এরা শুনতে পায় না বলে এদের শব্দ ভাণ্ডার গড়ে ওঠে না। এই শ্রবণ যন্ত্রের ফলে তাঁদের পঠনপাঠনে অনেক উপকার হবে। শোভনবাবুর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি, উলুবেড়িয়ার মহকুমা শাসক মানসকুমার মণ্ডলও।



