বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, বজবজ: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভিতর এবারই প্রথম ৫১ ফুট লম্বা কালী প্রতিমা হচ্ছে। মহেশতলার বাটানগর নিউল্যান্ড তুলসী মাঠে এনিয়ে এখন চূড়ান্ত ব্যস্ততা। এক সময়ের বাটানগর সিনেমা হলের উল্টোদিকে এই মাঠ। মণ্ডপ তৈরি হচ্ছে দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলে। ইতিমধ্যেই এই কাজে খরচ হয়েছে ৬০ লক্ষ টাকা। সম্পূর্ণ হতে আরও ৪০ লক্ষ লাগবে। সব মিলিয়ে এক কোটি বাজেট ধরে এগচ্ছে পুজো কমিটি।
ঘটনা হল, এর আগে এত দীর্ঘকায় প্রতিমা এই তল্লাটে যেমন হয়নি, তেমনি এমন বড়, বিগ বাজেটের কালীপুজো হবে, তাও স্বপ্নে ভাবেনি এলাকার আপামর মানুষ। মৃৎশিল্পী হলেন প্রদীপ চক্রবর্তী। স্বপন মণ্ডলের কাঁধে মণ্ডপ তৈরির দায়িত্ব পড়েছে। মণ্ডপের কাঠামোর ভিতর প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে এখন জোরকদমে। বাঁশ, বাটাম ও প্লাইউড দিয়ে কারুকাজ হচ্ছে। নৈহাটির বড় মা’র অনুকরণে হচ্ছে প্রতিমার আদল। মণ্ডপ সাজানোর জন্য অভিনব আলোর কারুকাজ ব্যবহার হচ্ছে।
পুজোর উদ্যোক্তা হল সুমনা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। পুজো কমিটির সুমন ভট্টাচার্য, অমর ঘোষ বলেন, এই বিগ বাজেটের কালী আরাধনা দিয়ে চমকের সূচনা হচ্ছে। আগামী দিনে বারাসতের পর কালীপুজো দেখার জন্য বাটানগরেই যাতে সকলে আসেন, এমন পরিকল্পনা চলছে। সবটা এখন বলছি না। আমরা জানি এই প্রতিমা দেখতে ভিড় হতে পারে। তাই ভিড় সামাল দেওয়া থেকে এই সংক্রান্ত যাবতীয় দায়িত্ব মহেশতলা থানার আইসিকে দেওয়া হয়েছে। ওঁরা যেভাবে বলছেন, সেই ভাবে ঢোকা ও বেরনোর পথ ঠিক করা হচ্ছে। মায়ের পুজো নিয়ম মেনেই হবে। এজন্য শাস্ত্র ও কালীপুজো জানা পণ্ডিত নিয়ে আসা হবে।



