


সংবাদদাতা: ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগেই বড় ধাক্কা খেলেন হুয়ায়ুন কবীর। তাঁর আম জনতা পার্টি থেকে তৃণমূলে যোগদান করলেন নয় প্রার্থী। মুসলিম ভোট ভাগ করে বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতে চান হুমায়ুন—এহেন অভিযোগ করেই দল ছাড়লেন প্রার্থীরা। বিজেপির সঙ্গে যোগসাজসের অডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পরেই হুমায়ুনের দল ছাড়ার হিড়িক পড়ে গিয়েছিল। এদিন তাতে শামিল হলেন প্রার্থীরা। দুর্গাপুরের জেলা তৃণমূল কার্যালয়ে রানিগঞ্জ বিধানসভার প্রার্থী রাহুল ঘোষ, দুর্গাপুর পূর্বের প্রার্থী রুবিয়া বেগম, বারাবনির প্রার্থী অদৈত্য দাস এবং পাণ্ডবেশ্বরের জুভেদ শেখ দলবদল করেন। মুর্শিদাবাদ জেলার খড়গ্রামের আম জনতা পার্টির প্রার্থী যাদব দাসও এদিন পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় এসে তৃণমূলে যোগ দেন। বড়ঞা বিধানসভার প্রার্থী ষষ্ঠীচরণ মালও কান্দিতে তৃণমূলের পতাকা হাতে নেন। সোমবার রাতেই আম জনতা উন্নয়ন পার্টি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন প্রায় আড়াইশো কর্মী সমর্থক। নানুরের পাপুড়িতেও হুমায়ুনের দল ছাড়েন নানুর কেন্দ্রের প্রার্থী চিরণ দাস ও দুবরাজপুরের প্রার্থী শুভাশিস দাস। আমজনতা পার্টির জেলা মহিলা নেত্রী ও দুবরাজপুরের অবজার্ভার রুবিনা বিবিও তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। মঙ্গলবার দিনহাটায় তৃণমূলের পতাকা হাতে নেন সিতাই কেন্দ্রের আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী মানিক রায়।