Bartaman Logo
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‘দেশের ৮০ শতাংশই আমিশাষী’, ব্রিকসের নৈশভোজে নিরামিষ মেনু ঘিরে বিতর্কের মধ্যে সরব রাহুল

মানুষের খাওয়া-পরার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করছে সরকার। আমিষ খাবারের বিরোধিতা করে নিরামিষ খাবারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

‘দেশের ৮০ শতাংশই আমিশাষী’, ব্রিকসের নৈশভোজে নিরামিষ মেনু ঘিরে বিতর্কের মধ্যে সরব রাহুল
  • ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: মানুষের খাওয়া-পরার মতো ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করছে সরকার। আমিষ খাবারের বিরোধিতা করে নিরামিষ খাবারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নিরামিষের প্রতি কেন্দ্রের এই পক্ষপাতিত্ব পৌঁছেছে বিশ্ব মঞ্চেও। এমনটাই অভিযোগ বিরোধীদের। তাদের বক্তব্য, দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের নৈশভোজে অতিথি রাষ্ট্রনায়কদেরও দেওয়া হচ্ছে নানাবিধ নিরামিষ খাবার। এমনভাবে নিরামিষকে প্রচারের আলো দেওয়া হচ্ছে, যেন সেটাই ভারতের মূল খাবার। অথচ ভারতের অধিকাংশ বাসিন্দা যে আমিশাষী, সেই কঠোর বাস্তবটাই চেপে যাওয়া হচ্ছে। এরইমধ্যে রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় রাহুল গান্ধীর একটি পোস্ট বিতর্ক আরও উসকে দিয়েছে। ওই পোস্টে রাহুল লিখেছেন- ‘একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরি: ৮০ শতাংশ ভারতীয়ই আমিশাষী। দেশের আমিষ খাদ্য সুস্বাদু। ঠিক যেমনটি আমার বোনের তৈরি ছোলে ভাটুরে।’ এই মন্তব্যের সঙ্গে নিরামিশ ছোলে ভাটুরের একটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। এভাবে সুকৌশলে নিরামিষ ও আমিষ খাবারে ব্যক্তিগত পছন্দের বার্তাই লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল দিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। 
রাহুলের পোস্টে অবশ্য শনিবারের নৈশভোজের সরাসরি কোনো উল্লেখই নেই। তবে কংগ্রেসের মিডিয়া ও পাবলিসিটি বিভাগের প্রধান পবন খেরা বিষয়টি নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেছেন। তাঁর অভিযোগ, দেশের মানুষের উপর নিজেদের পছন্দের খাদ্যভাস চাপিয়ে দেওয়াটা অভ্যাসে পরিণত করেছে। এখন একধাপ এগিয়ে তারা বিদেশি অতিথিদের উপর নিজেদের পছন্দ চাপিয়ে দিচ্ছে। পালটা রাহুল ও কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তিনি বলেছেন, ব্রিকসভূক্ত দেশগুলির নেতাদের পরিবেশন করা খাবারের মেনু নিয়েও কংগ্রেস রাজনীতি করছে, এটা বিশ্বাস হচ্ছে না। অতিথিরা ভারতের নিরামিষ খাবার বেশ উপভোগ করেছেন। ওই পদগুলি স্বাদ, পুষ্টিগুণ ও আঞ্চলিক বৈচিত্রে সমৃদ্ধ। এরমধ্যে রবিবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনওয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠক করেন রাহুল। সঙ্গে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীও। 

Advertisement

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ