Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬

বিহারের মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু আট পুণ্যার্থীর, জখম অনেকে, তদন্তের নির্দেশ

আজ চৈত্র মাসের শেষ মঙ্গলবার। বিহারের নালন্দা জেলার মাঘরা গ্রামের শীতলা মন্দিরে দূর দূর থেকে লোকজন পুজো দিতে এসেছিলেন।

বিহারের মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু আট পুণ্যার্থীর, জখম অনেকে, তদন্তের নির্দেশ
  • ৩১ মার্চ, ২০২৬ ১২:০৩

নালন্দা, ৩১ মার্চ: ফের মন্দিরে দুর্ঘটনা। এবার বিহারের নালন্দা জেলা। মঙ্গলবার সকালে পদপিষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে আটজন পুণ্যার্থী। জখম আরও অনেকে। পুলিশ-প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে এসেছেন। শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন বিহারের উপ মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। দুর্ঘটনার কারণ জানতে নিরপেক্ষ তদন্ত হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Advertisement

আজ চৈত্র মাসের শেষ মঙ্গলবার। বিহারের নালন্দা জেলার মাঘরা গ্রামের শীতলা মন্দিরে দূর দূর থেকে লোকজন পুজো দিতে এসেছিলেন। ভোর থেকে লম্বা লাইন পড়েছিল মন্দির চত্বরে। সময় যত বেড়েছে ততই বাড়তে থাকে ভিড়। একসময় শুরু হয় হুড়োহুড়ি। ধাক্কাধাক্কি। নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে অনেকে মাটিতে পড়ে যান।  যার জেরে ঘটে গেল বিপর্যয়। পদপিষ্ট হয়ে অন্তত ৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন। প্রত্যেকেই মহিলা। জখম অবস্থায় বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে।

অন্যদের মতো মন্দিরে পুজো দিতে এসেছিলেন মমতাদেবী। কোনওমতে প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। মন্দিরের বাইরে সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার বর্ণনা করছিলেন তিনি। তখনও তাঁর চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। মমতাদেবী বলেন, ‘প্রতি মঙ্গলবারই এখানে ভিড় হয়। প্রচুর মানুষ শীতলা মায়ের দর্শনের জন্য আসেন। পুজো দেন। আমি পাটনা থেকে এখানে পুজো দিতে এসেছি। কিন্তু এবার যা হল, বলে বোঝাতে পারব না। চূড়ান্ত অব্যবস্থা। যার জেরে পদপিষ্টের ঘটনা ঘটল। একটা মাত্র অ্যাম্বলেন্স ছিল। কোথাও প্রশাসনের কারও দেখা মেলেনি।’

গত বছর নভেম্বরে অন্ধ্রপ্রদেশের ভেঙ্কটেশ্বর স্বামী মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে মোট ন’জনের মৃত্যু হয়েছিল। অধিকাংশই মহিলা এবং শিশু। একাদশী তিথিতে পুজো দেওয়ার জন্য শ্রীকাকুলামের এই মন্দিরে বিপুল সংখ্যক ভক্ত সমবেত হয়েছিলেন। সেই সময়ই পদপিষ্টের ঘটনাটি ঘটে।

সম্পর্কিত সংবাদ