নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও কলকাতা: গত বছর ডিসেম্বরে সন্দেশখালি এসে গ্রামীণ হাসপাতালকে ৩০ থেকে ৬০ শয্যা করার কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই মতো হাসপাতালের সার্বিক পরিকাঠামো উন্নতির জন্য আট কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য। হাসপাতালের পরিষেবা আরও উন্নত করতে নতুন করে ৪৩টি অতিরিক্ত পদসৃষ্টির প্রস্তাব পাশ হল। বুধবার মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর ফলে নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষের কাছে আরও উন্নত চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছবে।
গত বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম থেকেই সন্দেশখালি ছিল উত্তপ্ত। তৃণমূল নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মহিলারা। জমি দখল, ভেড়ি নষ্ট করা নিয়ে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা। সমস্ত অভিযোগের কার্যত নিষ্পত্তি করেছে জেলা প্রশাসন। প্রতিশ্রুতি মতো বছর শেষে ৩০ ডিসেম্বর সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠানে সন্দেশখালি আসেন মুখ্যমন্ত্রী। এলাকার উন্নয়নের একগুচ্ছ প্রকল্পের কথা তিনি ঘোষণা করেছেন। তালিকায় ছিল সন্দেশখালি গ্রামীণ হাসপাতালের বেড সংখ্যা বৃদ্ধির প্রসঙ্গটিও। বলা হয়েছিল, বেড ৩০ থেকে ৬০ শয্যার করা হবে। সেই মতো রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পক্ষ থেকে হাসপাতাল পরিদর্শন করা হয়। অবশেষে এই হাসপাতালের জন্য আট কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এনিয়ে বিধায়ক সুকুমার মাহাতোকে শুভেচ্ছা বার্তাও পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেই কাজ শুরুর জন্য টেন্ডার করছে পিডব্লুডি। অন্যদিকে, সন্দেশখালিতে ‘সন্দেশহাব’ তৈরির কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জমি ও হাবের স্কেচ পাঠানো হয়ে গিয়েছে রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে। কিন্তু, এই কাজের এখনও সবুজ সঙ্কেত না মেলায় হতাশ স্থানীয়রা।