Bartaman Logo
৮ আগস্ট, ২০২৬

তিন বছরে ত্রাণ শিবিরেই মৃত্যু ৭৩১ মণিপুরবাসীর

২০২৩ সালের মে মাসে উত্তাল হয়ে উঠেছিল মণিপুর। গোষ্ঠী সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছিলেন শয়ে শয়ে মানুষ। হিংসার আগুনে পুড়েছিল হাজার হাজার বাড়ি।

তিন বছরে ত্রাণ শিবিরেই  মৃত্যু ৭৩১ মণিপুরবাসীর
  • ৮ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ২০২৩ সালের মে মাসে উত্তাল হয়ে উঠেছিল মণিপুর। গোষ্ঠী সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছিলেন শয়ে শয়ে মানুষ। হিংসার আগুনে পুড়েছিল হাজার হাজার বাড়ি। ঘর ছাড়া হয়েছিলেন অন্তত ৬০ হাজার মণিপুরবাসী। প্রাণভয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন বিভিন্ন ত্রাণ শিবির ও অস্থায়ী ক্যাম্পে। কিন্তু, বিগত তিন বছরে সেখানে অন্তত ৭৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। তথ্য জানার অধিকার আইনে এই সংক্রান্ত পরিসংখ্যান চেয়েছিলেন হরেশ্বর গোস্বামী নামে এক রাজনৈতিক কর্মী। মণিপুরের তথ্য কমিশনার তা জানাতে নির্দেশ দেয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে। তাদের দেওয়া নথিতেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের মানুষের মর্মান্তিক পরিণতির কথা প্রকাশ্যে এসেছে।  

Advertisement

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ত্রাণ শিবিরে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে চূড়াচাঁদপুরে। ২৪৮ জন। তালিকায় এরপরেই রয়েছে বিষ্ণুপুর (১৫১), কাংপোকপি (১২৮), ইম্ফল পশ্চিম (৯৪)। গোষ্ঠী সংঘর্ষ শুরুর পর তিন বছর কেটে গিয়েছে। আরটিআইয়ে তথ্য বলছে, এখনও ৪৩ হাজার মানুষ ঘরছাড়া। ত্রাণ শিবিরেই রয়েছেন তাঁরা। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কাংপোকপিতে ১৫ হাজার ৬৯৪ জন অস্থায়ী ক্যাম্পে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ত্রাণ শিবিরের থাকতে থাকতে তাঁদের মধ্যে অনেকেরই শরীরের জটিল অসুখ বাসা বাঁধতে শুরু করেছে। ইম্ফল পূর্ব জেলায় অন্তত ২১৭ জন কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তাঁদের সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই। এই পরিসংখ্যানের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এখনও পুরোপুরি শান্তি ফেরেনি উত্তরপূর্বে রাজ্যে। চোরাগোপ্তা হিংসা চলছেই। তা সামাল দিতে ব্যর্থ ডাবল ইঞ্জিন সরকার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ