Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চিকিৎসার সমস্যায় ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন, উপকৃত ৭২ শতাংশ মানুষ

মালদহের ১০ মাসের শিশু নায়েক আনসারির সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছিল। তাকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ  ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

চিকিৎসার সমস্যায় ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন, উপকৃত ৭২ শতাংশ মানুষ
  • ২৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ঘটনা ১: মালদহের ১০ মাসের শিশু নায়েক আনসারির সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে মাথায় রক্ত জমাট বেঁধে গিয়েছিল। তাকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ  ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা এসএসকেএমে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে বেড মিলছিল না। এই অবস্থায় তাদের এক আত্মীয় ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’তে ফোন করে সমস্যার কথা জানান। কিছুক্ষণের মধ্যে ওই শিশুকে ভর্তি করতে একটি বেডের ব্যবস্থা করে হাসপাতাল। এখন সুস্থ আছে শিশুটি।

Advertisement

ঘটনা ২: মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা কুর্শিমা বিবির ব্লাড ক্যান্সার। হাসপাতালে ভর্তি থাকাকালীন চিকিৎসকরা দেখেন, তাঁর রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম। দুই ইউনিট রক্ত দিতে হবে। কুর্শিমার পরিবার অনেক চেষ্টায় ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে এক ইউনিট সংগ্রহ করতে পেরেছিলেন। কোনওভাবেই আরও এক ইউনিট রক্ত পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’র হেল্পলাইনে ফোন করে সমস্যার কথা জানাতেই রক্তের ব্যবস্থা হয়।
নায়েক আনসারি, কুর্শিমা বিবির মতোই সোনারপুরের দীপু সরকার, পূর্ব বর্ধমানের পূর্ণেন্দু মণ্ডল সহ রাজ্যের বহু মানুষ এভাবেই ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ হেল্পলাইনে একটি ফোন করেই উপকৃত হয়েছেন। ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নিয়ে সম্প্রতি ত্রৈমাসিক বুলেটিন প্রকাশ করেছে রাজ্য সরকার। সেখানে বলা হয়েছে, প্রতিদিন শয়ে শয়ে মানুষ ফোন করে তাদের সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। তার মধ্যে ৭২ শতাংশ ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যক্ষেত্রের পরিষেবা সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে ফোন করে সমাধান পেয়েছেন। প্রসঙ্গত, বছর দু’য়েক আগে এই পরিষেবা চালু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্য ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার নিষ্পত্তিও করেছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর। হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে কোথাও ঠেকানো গিয়েছে নাবালিকার বিয়ে,  কখনও আবার উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে নিখোঁজ স্কুলছাত্রীকে। প্রায় ২০ শতাংশ আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্যায় ফোন করে উপকৃত হয়েছেন বলে বুলেটিনে দাবি করা হয়েছে।  এছাড়া, বিপর্যয় মোকাবিলা বিভাগে পাঁচ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ ও অন্যান্য বিষয়ে তিন শতাংশ মানুষ সুবিধা পেয়েছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ