Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

১২০০ ভোটার পিছু একটি বুথ, উত্তর ২৪ পরগনায় বাড়তে চলেছে ৭১৯ ভোটকেন্দ্র

নির্বাচন কমিশনের নতুন নিয়ম—১২০০ ভোটার পিছু একটি বুথ। সেই হিসাবে উত্তর ২৪ পরগনায় সাতশোর বেশি বুথ বৃদ্ধির সম্ভাবনা  রয়েছে।

১২০০ ভোটার পিছু একটি বুথ, উত্তর ২৪ পরগনায় বাড়তে চলেছে ৭১৯ ভোটকেন্দ্র
  • ১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: নির্বাচন কমিশনের নতুন নিয়ম—১২০০ ভোটার পিছু একটি বুথ। সেই হিসাবে উত্তর ২৪ পরগনায় সাতশোর বেশি বুথ বৃদ্ধির সম্ভাবনা  রয়েছে। জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জেলায় বাড়তে পারে ৭১৯টি ভোটকেন্দ্র। জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় মোট বুথের সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৮৫১টি। নতুন করে ৭১৯টি বুথ বাড়লে জেলায় মোট বুথের সংখ্যা দাঁড়াবে ৯ হাজার ৫৭০টি। বিধানসভা ধরে ধরে এই হিসাব তৈরি করেছে প্রশাসন। তালিকা অনুযায়ি, জেলার প্রায় সব বিধানসভায় কিছু না কিছু বুথ বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে। তবে কয়েকটি এলাকায় সংখ্যাটা বেশ বড়ো। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, বসিরহাট উত্তর বিধানসভায় সর্বাধিক ৫৬টি বুথ বাড়তে পারে। তারপরেই রয়েছে মিনাখাঁ। সেখানে ৪৮, বসিরহাট দক্ষিণে ৪৪, হাড়োয়ায় ৩৯, দেগঙ্গায় ৩৬ এবং সন্দেশখালি ৩৫টি বুথ বাড়তে চলেছে। 

Advertisement

প্রশাসনের মতে, গ্রামীণ এলাকায় বুথ বৃদ্ধি বেশি হবে। শহরাঞ্চলেও কিছু বুথ বৃদ্ধির প্রস্তাব রয়েছে। পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, বিধাননগর, রাজারহাট গোপালপুর সহ বেশ কয়েকটি বিধানসভায় কয়েকটি করে বুথ বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও সংখ্যাটা গ্রামীণ এলাকার তুলনায় কম। হিসাব অবশ্য এখনও চূড়ান্ত হয়নি। ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ এখনও চলছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সংশোধনের বিভিন্ন ধাপে কিছু ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। আবার নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়াও চলছে। শুনানিতে অনুপস্থিতি বা নথির সমস্যার কারণে ভবিষ্যতে আরও কিছু নাম বাদ পড়তে পারে। সেই সব তথ্য মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত বুথ বৃদ্ধির চূড়ান্ত সংখ্যা স্থির হবে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সর্বদলীয় বৈঠকও হয়েছে। সেখানে বিধানসভা ভিত্তিক বুথ বৃদ্ধির সম্ভাব্য হিসাব তুলে ধরা হয়। কোথায় নতুন বুথ তৈরি করা যাবে, কোথায় পুরানো বুথ অন্যত্র সরাতে হবে—এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। তবে প্রশাসনের বড়ো চিন্তা শহর ও শহরতলির বিধানসভাগুলি নিয়ে। কারণ অতিরিক্ত বুথ তৈরির জন্য সেখানে উপযুক্ত জায়গা খুঁজে পাওয়া অনেক সময় কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফলে গ্রামীণ এলাকায় বুথ বৃদ্ধির সংখ্যা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছে প্রশাসনের একাংশ। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বুথ বৃদ্ধির চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করতে হবে। জেলা প্রশাসনের দাবি, সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে সমস্ত হিসাব চূড়ান্ত করে কমিশনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সম্পর্কিত সংবাদ