নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা : ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে আইএসএফ কর্মীদের তাণ্ডবের ঘটনায় এখনও থমথমে শোনপুর। পুলিসকে ইট মারা, গাড়ি ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও সাতজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। সব মিলিয়ে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে হল নয়। আরও অনেককে ধরা হবে বলে লালবাজার জানিয়েছে। ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিসের একাধিক দল। সোমবার ভাঙড়ে অশান্তির যে উত্তাপ ছড়িয়েছিল, মঙ্গলবার তার জেরে শোনপুর বাজার ও সংলগ্ন এলাকার মানুষজনের চোখেমুখে একটা চাপা টেনশন লক্ষ করা গিয়েছে। দোকানপাট সব খোলেনি। এলাকায় বসানো হয় পুলিস পিকেট। তবে ভাঙড়ের অন্যান্য জায়গায় সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল।
সোমবার রাতেই পুড়ে যাওয়া বাইক ও ক্ষতিগ্রস্ত প্রিজন ভ্যান সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এলাকায় চলে টহল। এদিকে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন ফুটেজ দেখে মোট ৯ জনকে গ্রেপ্তার হয়েছে। চণ্ডীহাট, জিরেনগাছা, বিবিরআইট, শোনপুর, ছেলেগোয়ালিয়া, মাঝেরহাট গ্রাম থেকে বেশিরভাগ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে উত্তর কাশীপুর থানার পুলিস। পুলিসের জালে ধরা পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর দুই যুবকও। ধৃতদের এদিন বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সবাইকে পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দেন। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই ঘটনায় আর কারা যুক্ত, তাঁদের খোঁজ করবেন তদন্তকারীরা। তবে অনেকেরই প্রশ্ন, এত মানুষ এক সঙ্গে জমা হলেও পুলিস কেন আগাম জানতে পারল না!