Bartaman Logo
২৬ জুন, ২০২৬

একবছরেই মহারাষ্ট্রজুড়ে আত্মঘাতী ৬৬৬৯ কৃষক , লাভের পাহাড়ে বিমা সংস্থাগুলি

মহারাষ্ট্রে ২০২৩ সালে ৬৬৬৯ কৃষক আত্মঘাতী। বিমা সংস্থাগুলির লাভের অঙ্কও চাঞ্চল্যকর। কৃষকদের দুর্দশা নিয়ে বিস্তারিত খবর এখানে।

একবছরেই মহারাষ্ট্রজুড়ে আত্মঘাতী ৬৬৬৯ কৃষক , লাভের পাহাড়ে বিমা সংস্থাগুলি
  • ২৬ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

মুম্বই: বিভিন্ন ধরনের সরকারি আশ্বাস সত্ত্বেও কৃষকদের দুর্দশা অব্যাহত।  শুধুমাত্র ২০২৩ সালেই মহারাষ্ট্রে ৬৬৬৯ জন কৃষক আত্মঘাতী হয়েছেন। বিধানসভায় কৃষকদের ফসলবিমা ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত একটি আলোচনায় সরকারপক্ষের এই পরিসংখ্যানই ফের একবার সামনে নিয়ে এল মারাঠাভূমের কৃষকদের দুর্দশার ছবিটা। সরকারি তথ্য বলছে, মৃতদের মধ্যে ৪১৫০ জন কৃষক, ২৫১৯ জন ক্ষেত মজুর। মৃতদের মধ্যে রয়েছে ৭৭ মহিলা কৃষক। খরাপ্রবণ মারাঠাওয়াড়া এলাকায় আত্মঘাতী কৃষকের সংখ্যা ২১৭। আত্মঘাতী হওয়া ভূমিহীন কৃষকদের পরিসংখ্যান সরকারের কাছে নেই বলে জানানো হয়েছে। আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত কৃষকদের আত্মহত্যার এই মর্মান্তিক ছবির পাশাপাশি নজর কেড়েছে ফসলবিমা সংস্থাগুলির লাভের অঙ্কও। সরকারি নথি বলছে, ২০১৬ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বিমা সংস্থাগুলি প্রিমিয়াম বাবদ মোট ৫৫ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা পেয়েছে। তার মধ্যে ফসলের ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়া হয়েছে মোট ৩৯ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা। বিমা কোম্পানিগুলির লাভ হয়েছে ৬ হাজার ৯৪৪ কোটি টাকা।  

Advertisement

বিধানসভার অধিবেশনে এনসিপি (এসপি) বিধায়ক রোহিত পাওয়ার অভিযোগ করেন, আত্মঘাতী কৃষকদের পরিবারকে ১ লক্ষ টাকা করে আর্থিক  সাহায্যের ঘোষণা করেছে সরকার। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেই টাকা মিলছে না। তিনি বলেন, ‘কৃষক পরিবারগুলি সরকারি অফিসের টেবিলে টেবিলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু সাহায্য পাচ্ছেন না। বহু ফাইল লাল ফিতের ফাঁসে আটকে রয়েছে। সরকারের উচিত কৃষকদের সাহায্যে এগিয়ে আসা। স্থানীয় পর্যায়ে সমস্যা সমাধানে মনোযোগ দেওয়া উচিত।’ উত্তরে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘কেন্দ্র ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রকল্পগুলির সুবিধা যাতে কৃষকরা পান তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কোনো কৃষকের মৃত্যুর পর তাঁর জমির মালিকানা পরিবর্তন সহ যাবতীয় প্রশাসনিক কাজেও সাহায্য করা হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ