Bartaman Logo
২২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেঙ্গল সাফারি থেকে ঝাড়গ্রামে যাচ্ছে ৫টি বাঘ

বেঙ্গল সাফারি থেকে ৫টি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ঝাড়গ্রামে স্থানান্তরিত হচ্ছে। পর্যটন উন্নয়নে নতুন সুযোগ তৈরি হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

বেঙ্গল সাফারি থেকে ঝাড়গ্রামে যাচ্ছে ৫টি বাঘ
  • ২২ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারির আদলে ঝাড়গ্রামে প্রায় এক হাজার একর বনভূমি জুড়ে অত্যাধুনিক মুক্ত চিড়িয়াখানা ও টাইগার সাফারি গড়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। জঙ্গলমহলের পর্যটনকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিতে নেওয়া এই মেগা প্রকল্পে প্রথম পর্যায়েই বেঙ্গল সাফারি থেকে পাঁচটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।

Advertisement

রাজ্য জু অথরিটির নির্দেশ মেনে বাঘ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এজন্য সেন্ট্রাল জু অথরিটির কাছেও প্রয়োজনীয় অনুমতি চাওয়া হয়েছে। শুধু বাঘই নয়, পরবর্তী পর্যায়ে নতুন সাফারির জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ করতে বেঙ্গল সাফারি থেকে চিতাবাঘ, হগ ডিয়ার এবং স্পটেড ডিয়ারও পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে শিলিগুড়ির বেঙ্গল সাফারি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার প্রজননের অন্যতম সফল কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত। এখানে বর্তমানে ১৪টি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে। অতীতে এখান থেকে আলিপুর চিড়িয়াখানা, ত্রিপুরার সিপাহিজালা চিড়িয়াখানা এবং সম্প্রতি দার্জিলিংয়ের পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্কে বাঘ পাঠানো হয়েছে। প্রাণী বিনিময় কর্মসূচির অংশ হিসাবে দার্জিলিং থেকে একটি বিরল সাইবেরিয়ান টাইগারও বেঙ্গল সাফারিতে আনা হয়েছে।
ঝাড়গ্রামের জঙ্গলমহল জুওলজিক্যাল পার্কের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮০ সালে একটি হরিণ উদ্যান হিসাবে। ধাপে ধাপে পরিকাঠামো সম্প্রসারণের পর ২০১৪ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ চিড়িয়াখানার স্বীকৃতি লাভ করে। এবার সেই পার্ককেই আধুনিক টাইগার সাফারিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার।
বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ বলেন, নতুন টাইগার সাফারি চালু হলে একদিকে যেমন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আরও জোরদার হবে, তেমনি দক্ষিণবঙ্গের পর্যটকদের জন্য খোলা পরিবেশে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার ও অন্যান্য বন্যজন্তুদের দেখার নতুন সুযোগ তৈরি হবে। তাঁর কথায়, প্রথম ধাপে পাঁচটি বাঘ পাঠানো হলেও ভবিষ্যতে পর্যায়ক্রমে আরও বিভিন্ন প্রাণী ঝাড়গ্রামের নতুন সাফারিতে স্থানান্তর করা হবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জঙ্গলমহল পর্যটনের মানচিত্রে নতুন আকর্ষণ হিসাবে উঠে আসবে বলে আশাবাদী বনদপ্তর।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ