নয়াদিল্লি: প্রশ্ন ফাঁস কাণ্ডে কড়া শাস্তি দিতে নতুন বিল, ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট গঠনের রাস্তায় হেঁটেছে মোদি সরকার। মাঝরাতে বদল করা হয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষাসচিবকেও। কিন্তু ‘ককরোচ’ রা এখনও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার দাবিতে অনড়। এই পরিস্থিতিতে সরকার যে পরীক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়ম-প্রশ্ন ফাঁসের মতো অপরাধের শিকড় ধরে টান মারতে উদগ্রীব, এই বার্তা দিতে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সিরও (এনটিএ) গোটা কাঠামো বদল করতে উদ্যোগ নেওয়া হল। আর সেই উদ্যোগের প্রথম ধাপ হিসাবে শুক্রবারই বরখাস্ত করা হল এনটিএর ৪৭ জন আধিকারিককে। নিট প্রশ্ন ফাঁস এবং এসংক্রান্ত যাবতীয় দুর্নীতি, অনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগেই তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে যে, শিক্ষামন্ত্রকের অধীন এনটিএতে তুলনায় তরুণ আধিকারিক নিয়োগ করা হবে। শীঘ্রই জারি হবে বিজ্ঞপ্তি। প্রথম ধাপে অন্তত ১৬ জন তরুণ কর্মী আধিকারিক নিয়োগের পথে হাঁটছে এনটিএ। পাশাপাশি নিয়োগ হবে জেনারেল ম্যানেজার। দুই থেকে তিন বছরের চুক্তিতে কাজ করবেন তারা। নিট পরীক্ষাকেও যাতে সম্পূর্ণ অনলাইন কম্পিউটার ভিত্তিক করা হয়, সেই প্রস্তাবও কার্যকর হবে বলে সূত্রের খবর। বাদল অধিবেশনে রাজ্যসভায় এনটিএর কর্মী সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের কাছে। জবাবে কেন্দ্র জানিয়েছে, এনটিএতে স্থায়ী পদের সংখ্যা ৩৯। এর মধ্যে আপাতত ২৪ জন কর্মরত। এছাড়া ৭৩ জন চুক্তিভিত্তিক কর্মী রয়েছে। বিভিন্ন সংস্থা থেকে কাজের জন্য আনানো হয়েছে আরও ১২৪ জনকে। এদিন যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কতজন স্থায়ী বা অস্থায়ী সেই তথ্য জানানো হয়নি।



