Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দারিদ্র দূরীকরণ-কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করবে রাজ্যের ৪৬৬টি পঞ্চায়েত

গ্রামে গ্রামে কর্মসংস্থানের পরিবেশ তৈরি করে দারিদ্র দূর করা হবে। এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে রাজ্যের ৪৬৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত। আগামী অর্থ বছরে কোন বিষয়ের উপর বেশি জোর দেওয়া হবে, তা ঠিক করতে গ্রাম পঞ্চায়েত ‘ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান’ তৈরি করে

দারিদ্র দূরীকরণ-কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করবে রাজ্যের ৪৬৬টি পঞ্চায়েত
  • ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গ্রামে গ্রামে কর্মসংস্থানের পরিবেশ তৈরি করে দারিদ্র দূর করা হবে। এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে রাজ্যের ৪৬৬টি গ্রাম পঞ্চায়েত। আগামী অর্থ বছরে কোন বিষয়ের উপর বেশি জোর দেওয়া হবে, তা ঠিক করতে গ্রাম পঞ্চায়েত ‘ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান’ তৈরি করে। ন’টি থিমের উপর ভিত্তি করে এটি বানায় পঞ্চায়েত প্রশাসন। তার মধ্যে একটি হল দারিদ্র দূরীকরণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। জানা গিয়েছে, পঞ্চায়েতগুলি মূলত গ্রামের যুবক-যুবতীদের বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের উপযুক্ত করে তুলতে চাইছে। পরে যাতে তারা নিজেরা কিছু কাজ করে আয় করতে পারে। চাষবাসের বাইরেও বিকল্প রোজগারের পথ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে এমন ভাবনা বলে জানাচ্ছেন আধিকারিকরা।

Advertisement

পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্মসংস্থান ও দারিদ্র দূর করার বিষয়টি এক নম্বর থিম হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গতবার এই থিমে কাজ করতে আগ্রহ দেখিয়েছিল রাজ্যের ৩৭৯টি পঞ্চায়েত। এবার নতুন করে আরও ৮৭টি পঞ্চায়েত এই থিমের উপর জোর দেবে বলে জানিয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি হল উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জের দুলদুলি, গোবিন্দকাটি, সন্দেশখালি ২ ব্লকের জেলিয়াখালি, কোরাকাটি, মালদহের হরিশচন্দ্রপুর ২ ব্লকের মালিয়র ১, সাদলিচক, রাতুয়া ২ ব্লকের আড়াইডাঙা, শ্রীপুর ১, কোচবিহারের সিতাই ব্লকের সিতাই ১, আদাবাড়ি, দিনহাটা ২ ব্লকের বুড়িরহাট ১ প্রভৃতি। প্রধানদের দাবি, ‘উৎকর্ষ বাংলা’ প্রকল্পের মাধ্যমে যেমন বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের প্রশিক্ষিত করে দক্ষ করে তোলা হয়, ঠিক সেভাবেই গ্রামে ছোটো ছোটো কাজ শিখিয়ে আয়ের উপযুক্ত করে তোলা হবে। তবে কী ধরনের কর্মসংস্থানের উপর জোর দেওয়া হবে বা কোন ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ দেবেন বিশেষজ্ঞরা, সেটা এখনও স্থির হয়নি। ভোটপর্ব মিটে গেলে এনিয়ে পরিকল্পনা করা হবে। এছাড়া, শিশু এবং মহিলা বান্ধব পঞ্চায়েত গড়তে কাজ করবে যথাক্রমে ৮৭৩ ও ৫৩৯টি পঞ্চায়েত। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আগের বারের তুলনায় এবার এই দু’টি থিম নিয়ে কাজ করা পঞ্চায়েতের সংখ্যা সামান্য কমেছে।  

সম্পর্কিত সংবাদ