নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নারকেলডাঙা থানার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাইজার স্ট্রিট। বুধবার রাতে এক পক্ষের হামলায় বেশ কয়েকজন জখম হন। অভিযোগ, বন্দুকের বাঁট, বাঁশ, লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। পুলিস গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যদিও পুলিস বন্দুকের বাঁট দিয়ে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। ঘটনায় জড়িতদের খোঁজ চলছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নারকেলডাঙা এলাকায় বুধবার রাত দশটা নাগাদ শাসক দলের একটি গোষ্ঠীর লোকজন রাস্তার ধারে বসে গল্প করছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় শাসক দলের অন্য গোষ্ঠীর লোকেরা তাঁদের উপর চড়াও হয়। আক্রান্ত গোষ্ঠীর লোকজনের দাবি, হঠাৎ তাঁদের বাঁশ, লাঠি দিয়ে মারধর শুরু হয়। কেন তাঁদের মারধর করা হচ্ছে, তা বুঝতেই পারেননি। আহতের মধ্যে একজনের বক্তব্য, হঠাৎ এক ব্যক্তি বন্দুক বের করে তাঁকে মারধর করতে শুরু করে। তিনি চিৎকার করলেও কোনও লাভ হয়নি। বাকিদেরও লাঠি দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। এমনকী চপার দিয়ে আঘাত করেছে অভিযুক্তরা। এই গোলমালের মাঝে পড়ে আহত হন এক বৃদ্ধ। ঘটনার খবর পেয়ে আসে পুলিস। দু’পক্ষকেই এলাকা থেকে সরিয়ে দেয়। রাতেই আহত চারজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁরা সেখানে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ দায়ের হয় নারকেলডাঙা থানায়। তদন্তে নেমে পুলিস জেনেছে, শাসক দলের কাউন্সিলার ও বিধায়ক গোষ্ঠীর অনুগামীদের মধ্যে অনেকদিন ধরেই গোলমাল চলছে। এলাকার দখল কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে ঝামেলার সূত্রপাত। প্রায়ই ঝামেলার কথা শোনা যায়। দু’পক্ষেরই অভিযোগ, একে অন্যের এলাকা দখল করে নিয়েছে।