বাড়তি সতর্কতা নিয়ে আজ শুরু শহরের ৪ বাজিবাজার
  • ৪ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আজ, বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে কলকাতার চারটি বাজিবাজার। দুর্গাপুজোয় চোরবাগান বিপর্যয়ের পর বাজি বাজার নিয়ে বাড়তি সতর্ক কলকাতা পুলিশ। উদ্যোক্তারাও এবার যথেষ্ট সাবধানী। কোনো ধরনের ঝুঁকি তাঁরা নিতে চাইছেন না। ইতিমধ্যে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে বাজি বাজারের পোস্টারও পড়ে গিয়েছে। সেই পোস্টার অনুযায়ী মঙ্গলবার থেকে বাজার শুরু হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। একদিন পিছিয়ে তা আজ, বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে। একাধিক কারণে বাজি বাজার শুরু হতে দেরি হয়েছে। বুধবার বেলা ১১টার পর শহিদ মিনার বাজিবাজার পরিদর্শনে আসবেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। তারপরেই বাজারে কেনাকাটা শুরু হয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। 

Advertisement

বেহালা, কালিকাপুর, শহিদ মিনার ও টালা পার্ক—কলকাতার এই চার জায়গায় সরকার অনুমোদিত বাজিবাজার বসে প্রতি বছর। এবারও তার কোনো ব্যতিক্রম হচ্ছে না। মঙ্গলবার শহিদ মিনারে গিয়ে দেখা গেল, প্রতিটি দোকানের দু’পাশে অতিরিক্ত জায়গা রাখা হয়েছে। স্টলগুলিতে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। সরকারের উদ্যোগেও থাকছে অগ্নিনির্বাপণ পরিকাঠামো। শহিদ মিনার বাজি বাজারের অন্যতম উদ্যোক্তা শান্তনু দত্ত বলছিলেন, ‘মাঠ পেতে কিছুটা দেরি হয়ে গেল। এবছর আমরা নিজেদের উদ্যোগে ফায়ার বাইকের ব্যবস্থা রাখছি। শহিদ মিনার ময়দানের চারদিক যেহেতু খোলা, তাই আলাদা করে গেট করার প্রয়োজন পড়ে না। অন্যান্য বাজারের ক্ষেত্রে অবশ্য সেই সুবিধা নেই।’ টালা বাজি বাজারের উদ্যোক্তা শুভঙ্কর মান্না বলেন, ‘আমাদের বাজারে এ বছর ৪৮টি দোকানে বসছে। নিরাপত্তার জন্য বাড়তি গেট করা হচ্ছে।’ এখানেও আজ, বুধবার থেকে বেচাকেনা শুরু হবে। যদিও মঙ্গলবারই অনেক উত্সাহী ক্রেতা বাজি কিনতে এসে পড়েছিলেন বলে জানান শুভঙ্করবাবু। কালিকাপুর বাজি বাজারের তরফে শ্যামাপ্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘আমাদের এখানে দোকান বসে গিয়েছে। মঙ্গলবার বাজিও এসে গিয়েছে দোকানে। সোমবার যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বাজি বাজারের উদ্বোধন করে গিয়েছেন। আমরা বুধবার থেকে বেচাকেনা শুরু করে দেব।’ বেহালা বাজি বাজারের তরফেও জানানো হয়েছে, আজ থেকেই শুরু হবে বেচাকেনা। ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, এ বছর সবুজ বাজিতে কোনো কিউআর কোড থাকছে না। তার বদলে বৈধ বাজি প্রস্তুতকারক কোম্পানির তালিকা বাজারে টাঙিয়ে দেওয়া হবে।
৮ তারিখ পর্যন্ত চলবে এই চারটি বাজি বাজার। শুধুমাত্র সবুজ বাজিই পাওয়া যাবে এখানে। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে, কালীপুজোর দিন অর্থাত্ ৮ তারিখ শুধুমাত্র রাত ৮টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত সবুজ বাজি পোড়ানো যাবে। এছাড়া ছট পুজোর দিন সকাল ৬টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত সবুজ বাজি পোড়ানো যাবে।