Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নামের বানান ও পদবি ভুল, শুনানিতে ডাক সাড়ে ৩ লক্ষকে

শুনানিতে ডাক পাচ্ছেন আরও সাড়ে তিন লক্ষ ভোটার। নামের বানান ভুল থাকলে যেতে হবে শুনানি কেন্দ্রে। এছাড়া, পদবির বানান ঠিক না থাকলেও নথি হাতে শুনানি কেন্দ্রে যেতে হবে।

নামের বানান ও পদবি ভুল, শুনানিতে ডাক সাড়ে ৩ লক্ষকে
  • ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: শুনানিতে ডাক পাচ্ছেন আরও সাড়ে তিন লক্ষ ভোটার। নামের বানান ভুল থাকলে যেতে হবে শুনানি কেন্দ্রে। এছাড়া, পদবির বানান ঠিক না থাকলেও নথি হাতে শুনানি কেন্দ্রে যেতে হবে। যাঁরা একসময় চ্যাটার্জ্জী লিখতেন, কিন্তু এখন চট্টোপাধ্যায় লিখছেন, তাঁদেরও কেন্দ্রে আসতে হবে। প্রতিদিন ১০০জনকে শুনানি কেন্দ্রে ডাকা হবে। তার জন্য‌ অতিরিক্ত আধিকারিককে কাজের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে নতুন করে জেলার বাসিন্দারা দুর্ভোগে পড়বেন। বিশেষ করে গৃহবধূদের সমস্যা বেশি। অনেকের বিয়ের পরে পদবি বদলেছে। তাঁদের এফিডেভিট করতে হবে। এক আধিকারিক বলেন, এটা তুঘলকি নিয়ম ছাড়া আর কিছু নয়। এই নির্দেশে শুধু সাধারণ মানুষ নয়, বহু আধিকারিকও বিপাকে পড়বেন। এতদিন ঠিক ছিল, বিএলওদের দিয়ে এধরনের ভুল সংশোধন করা হবে। তাঁরা সেইমতো কাজ শুরু করেছিলেন। এখন আবার নির্দেশ বদল হয়েছে।

Advertisement

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এক্ষেত্রেও আগের কেন্দ্রগুলিতে শুনানি হবে। নোটিস দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এক্ষেত্রেও যাঁদের বয়স ৮৫ বছর পেরিয়ে গিয়েছে, তাঁদের বাড়ি গিয়ে শুনানি করা হবে। এছাড়া, অসুস্থ ভোটারদের বাড়িতেও আধিকারিকরা যাবেন। বিএলও অধিকার রক্ষা কমিটির জয়েন্ট কনভেনর বাপ্পাদিত্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মনে হচ্ছে নির্বাচন কমিশন কারও ইশারায় কাজ করছে। তাছাড়া এটা হতে পারে না। যাঁদের নাম বা পদবি ভুল রয়েছে, তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তা সংশোধন করা হয়েছে। এখন বলা হচ্ছে, আবার ভোটারদের বাড়ি যেতে হবে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশনের চিন্তাভাবনা করা উচিত। পরিকল্পনা ছাড়া তারা এই কাজ করছে। তার খেসারত আমজনতাকে দিতে হচ্ছে। তৃণমূল নেতা তন্ময় সিংহরায় বলেন, বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে টার্গেট বেঁধে দিয়েছে। সেইমতো কমিশন কাজ করছে। তারা মানুষের কথা ভাবছে না। তবে, এসব করেও তারা বিজেপিকে জেতাতে পারবে না। মানুষকে যত সমস্যায় ফেলবে, ততই বিজেপি আরও ব্যাকফুটে চলে যাবে। বিজেপি নেতা রাজু পাত্র বলেন, নির্বাচন কমিশন স্বাধীন একটি সংস্থা। তারা যেটা ভালো মনে করছে, সেটা করছে। এতে তৃণমূলের সমস্যা কী, বুঝতে পারছি না। মানুষ কমিশনকে যথেষ্ট সহযোগিতা করছে। তৃণমূল বিভ্রান্ত করে পরিস্থিতি জটিল করার চেষ্টা করছে।
কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শুনানি পর্বে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, তার জন্য কেন্দ্রগুলিতে  নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হচ্ছে। শুনানি কেন্দ্রগুলিতে টেবিলের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। অসুস্থ ভোটাররা আবেদন করলে বাড়িতে গিয়ে শুনানি করা হবে। দিব্যাঙ্গদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম মানা হবে।  ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ