সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: শনিবার ভোরে গুড়াপে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তিন মৃৎশিল্পীর। দুর্ঘটনাটি ঘটে হুগলির গুড়াপ থানার কানাজুলি এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে। মৃতদের নাম দিবাস মণ্ডল (৩০), নিমাই দাস (৩৮),
সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: শনিবার ভোরে গুড়াপে পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় তিন মৃৎশিল্পীর। দুর্ঘটনাটি ঘটে হুগলির গুড়াপ থানার কানাজুলি এলাকায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে। মৃতদের নাম দিবাস মণ্ডল (৩০), নিমাই দাস (৩৮),
কৌশিক মণ্ডল (২৮)। দিবাসের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে। নিমাই কলকাতার রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার বাসিন্দা, কৌশিকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার হাড়োয়া থানা এলাকায়।
শনিবার ভোরে একটি ১০৭ গাড়ি করে তিনজন মৃৎশিল্পী আসানসোল থেকে হিঙ্গলগঞ্জ যাচ্ছিলেন। গুড়াপের কানাজুলি এলাকাতে সেটি আচমকা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা একটি চলন্ত গাড়ির পিছনে ধাক্কা দেয়। গাড়ির সামনের অংশটি দুমুড়ে-মুচড়ে যায়। গুরুতর জখম হন গাড়িতে থাকা তিনজন। স্থানীয় বাসিন্দা ও গুড়াপ থানার পুলিশ জখমদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দিবাসের। জখম দু’জনের মৃত্যু হয় বর্ধমান হাসপাতালে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আসানসোল থেকে প্রতিমা নির্মাণের কাজ শেষ করে বাড়ির পথে যাচ্ছিলেন মৃৎশিল্পীরা। চালকের আসনে ছিলেন দিবাস মণ্ডল। কিন্তু পথে চলন্ত অপর একটি গাড়ির পিছনে ধাক্কা দেওয়ায় ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দিবাসের। গাড়ির পিছনে ডালায় ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন নিমাই ও কৌশিক। গাড়িতে থাকা প্রতিমা শুকনো করার জন্য গ্যাস সিলিন্ডার ও রং করার মেশিনে ধাক্কা লাগে দু’জনের। গুরুতর জখম অবস্থায় বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ভোররাতে চালকের হঠাৎ ঘুম পেয়ে যাওয়াতেই এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিজস্ব চিত্র