আমেদাবাদ (পিটিআই): ৭০ মিনিটের ব্যবধানে শহরের ২১ জায়গায় বিস্ফোরণ। রেহাই পায়নি হাসপাতালও। ২০০৮ সালের ২৬ জুলাই আমেদাবাদে এই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ৫৬ জনের। জখম দুই শতাধিক। এই মামলায় ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জঙ্গি সংগঠন ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের (আইএম) ৩৮ সদস্যকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছিল বিশেষ আদালত। যাবজ্জীবন সাজা হয়েছিল ১১ জনের। মঙ্গলবার গুজরাত হাইকোর্টও সেই রায় বহাল রাখল। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন সিমির প্রাক্তন নেতা সফদর নাগোরি ও তার সঙ্গীরা।
২০২২ সালে বিশেষ আদালতের রায় ছিল নজিরবিহীন। কারণ, একসঙ্গে এতজনের ফাঁসির সাজা ঘোষণা অতীতে আর হয়নি। এদিন বিচারপতি এ ওয়াই কোগজে এবং সমীর দাভেকে নিয়ে গড়া হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চও সেই রায়ই বহাল রেখেছে। নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পেশ হওয়া সব আবেদন এদিন খারিজ হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, আমেদাবাদ ধারাবাহিক বিস্ফোরণে নিহতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে এবং গুরুতর জখমদের ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। ধারাবাহিক বিস্ফোরণে সাজাপ্রাপ্তরা সব মিলিয়ে ১১টি রাজ্যের বাসিন্দা। সিমি নেতা সফদর নাগোরি সহ মোট ৭৮ জন অভিযুক্তকে বিচারের কাঠগড়ায় তোলা হয়েছিল। তাদের মধ্যে মোট ৪৯ জনকে ২০২২ সালে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিয়েছিল বিশেষ আদালত।