Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মৎস্য যোজনায় ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাংলাকে

পালাবদলের পর রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার আসতেই প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার অধীনে নতুন করে বরাদ্দ পেল বাংলা। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে পশ্চিমবঙ্গে মৎস্য উৎপাদন এবং সেই সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প সঠিক ভাবে রূপায়িত না করা নিয়ে তরজা শুরু হয়েছিল।

মৎস্য যোজনায়  ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ বাংলাকে
  • ২৮ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পালাবদলের পর রাজ্যে ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার আসতেই প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনার অধীনে নতুন করে বরাদ্দ পেল বাংলা। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে পশ্চিমবঙ্গে মৎস্য উৎপাদন এবং সেই সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প সঠিক ভাবে রূপায়িত না করা নিয়ে তরজা শুরু হয়েছিল। রাজ্যে প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছিলেন, গোটা দেশে মাছ উৎপাদনে উন্নতির নেপথ্যে রয়েছে ‘প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা’। কিন্তু সেই প্রকল্পের নামে ‘পিএম’ (প্রধানমন্ত্রী) শব্দটি থাকায় সঠিক

Advertisement

রূপায়ণ হয়নি এ রাজ্যে। সেই অভিযোগ নস্যাৎ করে রাজ্যে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে এরাজ্যে মাছ-মাংস খাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলেও দাবি করেছিলেন তিনি। তৃণমূলের সেই প্রচার ভুল প্রমাণ করতে হাতে মাছ নিয়ে ভোট প্রচার করতে দেখা যায় একাধিক বিজেপি প্রার্থীকে। এই তরজার সূত্র ধরেই সরকারে এসে ‘মা’ ক্যান্টিনের মাধ্যমে পাঁচ টাকায় সপ্তাহে দু’দিন মাছ-ভাত খাওয়ানোরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। সেই সঙ্গে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজেপি পরিচালিত রাজ্য সরকারকে অর্থ বরাদ্দও করল মোদি সরকার। সূত্রের খবর, চলতি মাসেই রাজ্যকে ‘মৎস্য সম্পদ যোজনা’র অধীনে ২০ কোটি টাকা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যার ‘ম্যাচিং গ্রান্ট’ বা ‘তুলনামূলক বরাদ্দ’ হিসাবে রাজ্য দেবে আরও ১৩ কোটি টাকা। ফলে অবিলম্বে মোট ৩৩ কোটি টাকার কাজ চালু হবে রাজ্যে। 
কেন্দ্রীয় এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৬ সালের মার্চ মাসে। কিন্তু সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। বর্ধিত সময়কালে প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যেতেই কেন্দ্র এই অর্থ বরাদ্দ করেছে বলে সূত্রের খবর। আগামী জুলাইয়ের মধ্যে এই অর্থ বাবদ নির্ধারিত কাজ শেষ হলে কেন্দ্রের তরফে আরও কিছু টাকা বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গের পাঁচটি উপকূলবর্তী গ্রামকে ‘কোস্টাল রেজিলেন্ট ভিলেজ’ হিসাবে উন্নীত করার জন্য চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র। এর মধ্যে তিনটি গ্রাম পূর্ব মেদিনীপুরের, দু’টি দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। বিভিন্ন আদিবাসী অধ্যুষিত গ্রামে মাছ চাষের উদ্যোগ নিচ্ছে রাজ্য। দার্জিলিং, কালিম্পংয়ের মতো পাহাড়ি এলাকায় ‘কোল্ড ওয়াটার ফিশারি’ ব্যবস্থাপনা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ