সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: তৃণমূল পরিচালিত পাথরপ্রতিমা পঞ্চায়েত সমিতির দুই কর্মাধ্যক্ষ এবং দুই সিপিএম নেতাকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। আহত কর্মাধ্যক্ষ দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযোগের তির বিজেপির দিকে। তবে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার কর্মাধ্যক্ষ শশাঙ্ক হালদার ও বিবেকানন্দ পদ্দার পঞ্চায়েত সমিতিতে এসেছিলেন। সেইসময় কয়েকজন অফিসের ভিতরে ঢুকে দুই কর্মাধ্যক্ষকে বাইরে টেনে বের করেন। এরপরই তাঁদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। অন্যদিকে, এদিন সিপিএমের দুই নেতা সত্যরঞ্জন দাস ও প্রণবিন্দু দাস বিডিওর সঙ্গে দেখা করতে অফিসে গিয়েছিলেন। তখন তাঁদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এই বিষয়ে সিপিএম নেতা সত্যরঞ্জন দাস বলেন, ‘বিডিওর সঙ্গে কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য দুজনে তাঁর অফিসে গিয়েছিলাম। সেইসময় বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা আমাদের উপর চড়াও হয়ে মারধর করে।’ পাথরপ্রতিমার তৃণমূল বিধায়ক সমীরকুমার জানা বলেন, ‘এদিন দুই কর্মাধ্যক্ষ পঞ্চায়েত সমিতিতে এলে একদল বিজেপি কর্মী ও সমর্থক তাঁদের উপর চড়াও হন। কর্মাধ্যক্ষদের বেধড়ক মারধরও করা হয়েছে। তাঁরা গুরুতর আহত হয়েছেন। ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তাঁরা ভরতি রয়েছেন।’
প্রতিবাদে সিপিএম রামগঙ্গা এলাকায় মিছিল ও সভা করে। দোষীদের শাস্তির দাবি করেছে তারা।
যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দলের মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক সুনির্মল দাস বলেন, ‘এই ঘটনায় বিজেপির কেউ জড়িত নয়। সিপিএম ও তৃণমূল রাজনৈতিক শক্তিবৃদ্ধির মতলবে বিজেপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে।’ ঘটনাটি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় ব্লক প্রশাসন।