Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

সুকমায় সংঘর্ষে হত ১৮ জন মাওবাদী, জখম দুই জওয়ান

ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় ফের বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর। শনিবার গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল ১৮ মাওবাদীর।

সুকমায় সংঘর্ষে হত ১৮ জন মাওবাদী, জখম দুই জওয়ান
  • ৩০ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

বিশেষ সংবাদদাতা, রায়পুর: ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলায় ফের বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর। শনিবার গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল ১৮ মাওবাদীর। ঘটনাস্থল থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রসস্ত্র ও বিস্ফোরক। এনকাউন্টারে জখম হয়েছেন বাহিনীর ২ জওয়ানও। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই অভিযানে সাফল্যের জন্য বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মাওবাদীদের তাঁর বার্তা, অস্ত্র ও হিংসার মাধ্যমে কোনও বদল আনা সম্ভব নয়। একমাত্র শান্তি ও উন্নয়নই  সমাজে পরিবর্তন আনতে পারে। বাহিনীর প্রশংসা করেছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণুদেও সাঁইও। তিনি বলেন, মাওবাদী-দমনে আমাদের সরকার ধারাবাহিক সাফল্য পাচ্ছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদ নির্মূল করার সংকল্প নিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আমি বিশ্বাস করি, ওই  সময়ের মধ্যেই লক্ষ্য পূর্ণ হবে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, সুকমা জেলার কেরলাপল থানার অন্তর্গত একটি জঙ্গলে মাওবাদীরা ঘাঁটি গে‌঩ড়েছে বলে গোপন সূত্রে খবর মেলে। তার ভিত্তিতে শুক্রবার রাত থেকে অভিযানে নামে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (ডিআরজি) ও সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। তাতে ১৮ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল পর্যন্ত চলে গুলির লড়াই। ডিআরজির এক আধিকারিক জানান, শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৮ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এনকাউন্টার স্থল থেকে একে ৪৭, এসএলআর, ইনসাস, .৩০৩ রাইফেল, রকেট লঞ্চার, বিজিএল লঞ্চার, বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বাহিনী। জখম দুই জওয়ানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সুকমা জেলার পুলিস সুপার কিরণ গঙ্গারাম চৌহান বলেন, ‘সুকমা জেলায় এযাবৎ এটিই সবচেয়ে বড় এনকাউন্টার। এলাকায় ২৫ থেকে ৩০ জন মাওবাদী লুকিয়ে আছে বলে খবর মিলেছিল। যৌথ বাহিনীর অভিযানে ১৮ জনকে নিকেশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বিগত দু’সপ্তাহের মধ্যে এটি দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ এনকাউন্টার। গত ২০ মার্চ বিজাপুর-দান্তেওয়াড়ায় ২৬ জন মাওবাদীকে খতম করেছিল বাহিনী।  ছবি: পিটিআই

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ