সংবাদদাতা, রামপুরহাট: আদালতে ওবিসি মামলার নিষ্পত্তির পরই দমকল বিভাগে মোট ১৩০০ কর্মী নেওয়া হবে—১০০০ ফায়ার অপারেটর এবং ৩০০ চালক। সোমবার রামপুরহাটে দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু পাশাপাশি আরও জানান, খুব শীঘ্রই বীরভূম জেলার তারাপীঠ, নলহাটি, মুরারই ও লাভপুরেও দমকল কেন্দ্র গড়ে উঠবে।
তারাপীঠে সপরিবারে পুজো দিতে এসেছিলেন মন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, এই জেলায় পাঁচটি দমকল কেন্দ্র রয়েছে। আরও চারটি হবে। তার মধ্যে নলহাটি, তারাপীঠ ও লাভপুরের জন্য প্ল্যানিং এস্টিমেটে পাঠানো হয়েছে। কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। মুরারইয়ের জমির ক্লিয়ারেন্সের জন্য ভূমিদপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে।
অধিকাংশ দমকল কেন্দ্রেই চলছে কর্মীসংকট। তাই দমকল কেন্দ্র বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মী নিয়োগেও গুরুত্ব দিয়েছে রাজ্য সরকার। দমকলমন্ত্রী গত জানুয়ারিতেই পিএসসি’র মাধ্যমে দমকল বিভাগে এক হাজার কর্মী নিয়োগের আশ্বাস দেন। কিন্তু এখনও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি। এই প্রসঙ্গে সুজিতবাবু বলেন, ক্যাবিনেটে সিদ্ধান্ত হয়ে গিয়েছে। ওবিসি মামলার নিষ্পত্তি হলেই নিয়োগ হবে।
এদিকে রাজ্যের একাধিক জায়গায় বহুতলে অগ্নিকাণ্ড এবং তাতে প্রাণহানি পর্যন্ত ঘটে গিয়েছে। তারই মধ্যে রামপুরহাট শহরে দমকল বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই গড়ে উঠছে একের পর এক বহুতল ভবন। কিন্তু তার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে কড়া ব্যবস্থা নিতে দেখা যায় না। এই প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন করে পুরসভা এবং পঞ্চায়েত। এছাড়া একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা পর্যন্ত দমকল বিভাগের অনুমোদনও লাগে না। রামপুরহাট ও তারাপীঠে অনেক বহুতল আবাসন ও হোটেল রয়েছে। বড় শহরগুলিতে বহুতলে অগ্নিকাণ্ড মোকাবিলায় ফায়ার ল্যাডারের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানেও সেই পরিষেবা দেওয়ার জন্য মন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানান বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।