Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জাল ওষুধ চক্র ফাঁসে একযোগে ১৩টি তদন্ত, নজরে দুই পাইকারি ব্যবসায়ীও

ভেজাল ওষুধের চক্র ভাঙতে একসঙ্গে ১৩টি তদন্তে নেমেছে রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন আমতার এক ওষুধ ব্যবসায়ী।

জাল ওষুধ চক্র ফাঁসে একযোগে ১৩টি তদন্ত, নজরে দুই পাইকারি ব্যবসায়ীও
  • ৯ এপ্রিল, ২০২৫ ১৬:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভেজাল ওষুধের চক্র ভাঙতে একসঙ্গে ১৩টি তদন্তে নেমেছে রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল। ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন আমতার এক ওষুধ ব্যবসায়ী। নজরে রয়েছেন আরও দুই পাইকারি ওষুধ ব্যবসায়ী এবং এক দালাল। তদন্তে সহযোগিতা না করলে ওই দু’জনের বিরুদ্ধেও আইনি ব্য‌বস্থা, প্রয়োজনে গ্রেপ্তারও করা হতে পারে বলে সোমবার ড্রাগ কন্ট্রোল সূত্রে জানা গিয়েছে। দুই ব্যবসায়ীর মধ্যে একজনের বেহালায় এবং অন্যজনের হুগলিতে দোকান রয়েছে। দু’জনের নামই উঠে এসেছে উত্তর কলকাতার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে জাল অ্যালবুমিন সরবরাহের ঘটনায়। ঘটনায় যৌথভাবে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল। ১৩টি তদন্তের মধ্যে ৯টিই কলকাতাকেন্দ্রিক। তিনটে জেলার। 

Advertisement

হিমাচল প্রদেশের মতো বাংলাও ভিন রাজ্যের পাইকারি ব্যবসায়ীদের থেকে ওষুধ কেনাকাটায় কড়াকড়ি করতে চলেছে। প্রসঙ্গত, বর্তমানে দেশে যত ওষুধ প্রস্তুত হয়, তার তিনভাগের একভাগই হয় হিমাচলে। সম্প্রতি তারা নারকোটিক ওষুধ বিক্রিতে ক্রেতার নাম, লাইসেন্স, কোন রাজ্য কত পরিমাণ ওষুধ কিনেছে ইত্যাদি তথ্য অন্যান্য রাজ্যকে জানানো শুরু করেছে। রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোলও ভিন রাজ্য থেকে ওষুধ কেনাকাটার ব্যাপারে বাংলার ওষুধ ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকার নিদান দিয়ে এসওপি প্রকাশ করতে চলেছে। সোমবার দেশের একটি বড় ওষুধ নির্মাতা সংস্থার প্রতিনিধিরা ড্রাগ কন্ট্রোল আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেন। কানে সংক্রমণ, ভার্টিগো ইত্যাদি সমস্যায় তাদের একটি ওষুধ জাল হয়েছে বলে সন্দেহ ড্রাগ কন্ট্রোলের। সেই ওষুধটি বিহার থেকে এসেছে বলে খবর। এ সংক্রান্ত কিছু তথ্য কোম্পানির প্রতিনিধিদের জানানো হয়েছে।
সূত্রের খবর, ১৩টি তদন্তের মধ্যে আমতার জাল প্রেশারের ওষুধ নিয়েই চলছে অন্তত ৩টে এনকোয়ারি। বাগড়ি, গান্ধী মার্কেট এবং মেহতা বিল্ডিংয়ের ওষুধপত্র নিয়ে চলছে ৪টি তদন্ত। উল্টোডাঙার একটি দোকান থেকে সন্দেহজনক ওষুধ বাজেয়াপ্ত করার ঘটনায়ও চলছে একটি তদন্ত। এছাড়া বাগুইআটি ও কেষ্টপুরে দু’টি ওষুধের দোকানে হানার পর দু’টি পৃথক তদন্ত শুরু করেছেন ড্রাগ কন্ট্রোল আধিকারিকরা। আগরপাড়ার ই-ফার্মেসির গোডাউন নিয়েও চলছে তদন্ত।

সম্পর্কিত সংবাদ