Bartaman Logo
২১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাঁকুড়ার ৮৩টি পঞ্চায়েতে ১২৫ দিনের প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি, নৈশ বৈঠকে ডেকে কৈফিয়ত তলব

বাঁকুড়া জেলার ৮৩টি পঞ্চায়েতে ১২৫ দিনের প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। প্রশাসন আধিকারিকদের কৈফিয়ত তলব করেছে। বিস্তারিত পড়ুন।

বাঁকুড়ার ৮৩টি পঞ্চায়েতে ১২৫ দিনের প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি, নৈশ বৈঠকে ডেকে কৈফিয়ত তলব
  • ২১ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

রঞ্জুগোপাল মুখোপাধ্যায়, বাঁকুড়া: ভিবি জি রাম জির আওতায় আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বাঁকুড়া জেলার ১৯০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রতিটিতে অন্তত একটি প্রকল্প চালুর উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। সেই লক্ষ্যে প্রকল্প চালু না হওয়া পঞ্চায়েত ও সংশ্লিষ্ট ব্লকের আধিকারিকদের নিয়ে সোমবার থেকে ‘নৈশ বৈঠক’ শুরু করতে চলেছে জেলা প্রশাসন। এদিন বাঁকুড়া-১ ও ২ সহ জেলার বিভিন্ন ব্লকের অন্তত ১৫টি পঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। পঞ্চায়েতের আধিকারিক ছাড়াও বৈঠকে সংশ্লিষ্ট ব্লকের জয়েন্ট বিডিও, টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্টদেরও উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন জেলার প্রায় ৮৩টি পঞ্চায়েতে এখনো ১২৫ দিনের প্রকল্পের কাজ শুরু করা যায়নি, সেব্যাপারে আধিকারিকদের কাছ থেকে জেলা প্রশাসনের কর্তারা কৈফিয়ত তলব করবেন। 

Advertisement

বাঁকুড়ার জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত বলেন, আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে জেলার সব পঞ্চায়েতে ১২৫ দিনের প্রকল্পে কাজ শুরু করতে চাইছি। সেই কারণে পিছিয়ে থাকা পঞ্চায়েত তথা ব্লকগুলিকে তলব করা হয়েছে। অবিলম্বে কাজ শুরুর জন্য তাদের বলা হবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনো পর্যন্ত বাঁকুড়া জেলায় ১২৫ দিনের প্রকল্পে প্রায় সাড়ে আট হাজার শ্রমদিবস সৃষ্টি হয়েছে। বাঁকুড়া এক্ষেত্রে অন্যান্য জেলাগুলিকে পিছনে ফেলে দিয়েছে। বর্তমানে জেলার ১০৭টি গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট ১১৩টি প্রকল্প চালু রয়েছে। কোনো কোনো পঞ্চায়েতে একাধিক প্রকল্পে কাজও হচ্ছে। তবে বাকি ৮৩টি অঞ্চলে কোনো কাজই শুরু হয়নি। ফলে সেখানকার শ্রমিকরা বঞ্চিত হচ্ছেন। কেন জেলার প্রায় অর্ধেক পঞ্চায়েতে কাজ শুরু করা যায়নি? 
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, ১২৫ দিনের প্রকল্পের আওতায় কাজ শুরুর আগে গ্রাম সভার বৈঠক ডাকতে হয়। বাসিন্দারাই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজের প্রস্তাব জমা দেন। শ্রমিকরা নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে কাজের জন্য আবেদন করেন। তারপর কাজ চালু হয়। 
তিনি আরও বলেন, ৮৩টি পঞ্চায়েতে আধিকারিকদের খামতি রয়েছে। সেই কারণেই আধিকারিকদের তাগাদা দিতে হচ্ছে। ওই প্রকল্পে অর্থের জোগানের কোনো সমস্যা নেই। ফলে কেন তাঁরা কাজ শুরু করতে পারছেন না, সেব্যাপারে নির্মাণ সহায়ক ও আধিকারিকদের কাছে কৈফিয়ত তলব করা হবে। এদিন রাত ৮টায় ডাকা বৈঠকে জেলার আঁচুরি, কেঞ্জাকুড়া, জুনবেদিয়া, মানকানালি, জুনবেদিয়া, সানবাঁধা, বৃন্দাবনপুর, হাটআশুরিয়া, ছাতনা-২, চিনাকুড়ি, ধবন, আড়রা, ভক্তবাঁধ, কল্যানী, পুনিশোল প্রভৃতি পঞ্চায়েতকে তলব করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ