Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের দু’ধারে জল জমার সমস্যা মেটাতে বরাদ্দ ১২৫ কোটি, নিকাশির মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত, আজ শুরু কাজ

কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে সম্প্রসারণের পর এই ব্যস্ত সড়কের দু’পাশের হাজার হাজার বাসিন্দার জীবনে শুরু হয়েছে নয়া দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টি হলেই জলবন্দি হয়ে পড়ছেন তাঁরা

কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের দু’ধারে জল জমার সমস্যা মেটাতে বরাদ্দ ১২৫ কোটি, নিকাশির মাস্টার প্ল্যান চূড়ান্ত, আজ শুরু কাজ
  • ১৩ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ে সম্প্রসারণের পর এই ব্যস্ত সড়কের দু’পাশের হাজার হাজার বাসিন্দার জীবনে শুরু হয়েছে নয়া দুর্ভোগ। সামান্য বৃষ্টি হলেই জলবন্দি হয়ে পড়ছেন তাঁরা। গত বছর এই কারণে চরম ভোগান্তি সহ্য করতে হয়েছে তাঁদের। বর্ষায় এক্সপ্রেসওয়ের দু’পাশে কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও তারও বেশি জল কয়েক দিন ধরে দাঁড়িয়ে থাকে। রাস্তা প্রায় সাড়ে তিন ফুট উঁচু হওয়ায় জল নিষ্কাশন বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমস্যা সমধোনে তৈরি হয় একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। কমিটির চেয়ারম্যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। সেই সূত্রে ভাটপাড়া, বারাকপুর, উত্তর দমদম এবং পানিহাটি পুরসভা এলাকায় নতুন নিকাশি তৈরি করে ওই জল সরানোর একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে কেএমডিএ। এই কাজের খরচ ধরা হয়েছে ১২৫ কোটি টাকা। এই খরত ইতিমধ্যে অনুমোদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটি। টেন্ডার প্রক্রিয়াও শেষ হয়ে গিয়েছে। আজ, শুক্রবার থেকে শুরু হয়ে যাবে কাজ। আগামী চার মাসের মধ্যে কাজ শেষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এবার বর্ষায় আর ভুগতে হবে না এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের। ভাটপাড়া পুরসভা এলাকায় যে নিকাশি তৈরি হবে, তার জন্য খরচ ধরা হয়েছে ৭০ কোটি টাকা। বারাকপুর পুরসভা এলাকায় পরিকল্পনা রূপায়ণ করতে খরচ হবে ৩০ কোটি টাকা। আর পানিহাটি এবং উত্তর দমদম পুরসভা এলাকায় নিকাশি তৈরির জন্য খরচ ধরা হয়েছে ২৫ কোটি টাকা। সমস্ত নিকাশি ৪ থেকে ৮ ফুট গভীর হবে। নিকাশিগুলি পড়বে সোনাই খাল, নীলগঞ্জ খাল, ইছাপুর খাল, বর্তির বিল এবং পদ্মা বিলে। সেই সঙ্গে সোদপুর মুড়াগাছা মোড়ে একটি ড্রেনেজ পাম্প হাউস ও প্রয়োজনীায় পরিকাঠামো গড়ে তুলতে ৫০ কোটি টাকার প্রকল্প গৃহীত হয়েছে। বর্তমানে অনুমোদনের জন্য অর্থদপ্তরে জমা রয়েছে এই প্রকল্পের প্রস্তাব। একইভাবে ওয়ারলেস মোড় থেকে নীলগঞ্জ খাল পর্যন্ত নিকাশি পরিকাঠামো তৈরির জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। এই প্রকল্পের ফাইলও জমা রয়েছে অর্থদপ্তরে। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ড্রেনেজ সিস্টেমের দায়িত্বে রয়েছে কেএমডিএ। কেএমডিএর নিকাশি বিভাগের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার আহাদ আলি বলেন, ‘১২৫ কোটি টাকার কাজের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। সেই কাজই শুরু হচ্ছে।’ কেএমডিএর চেয়ারম্যান তথা পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই সমস্যা সমাধানে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তৈরি হয়েছিল। কেএমডিএ মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছে। আগামী বর্ষায় জল জমার হাত থেকে রক্ষা পাবে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের দু’ধারের বাসিন্দারা।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ