Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

৩ বছরে গায়েব ১২ হাজার কোটি টাকা

অনলাইনে আর্থিক প্রতারণা প্রতিরোধে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে— একথা অর্থমন্ত্রক ও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বারবার দাবি করলেও

৩ বছরে গায়েব ১২ হাজার কোটি টাকা
  • ২২ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অনলাইনে আর্থিক প্রতারণা প্রতিরোধে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে— একথা অর্থমন্ত্রক ও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক বারবার দাবি করলেও আদতে এই প্রতারণায় সাধারণ মানুষের সর্বস্বান্ত হওয়া বন্ধ হচ্ছে না। বরং উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২২০২৪-২৫ আর্থিক বছরের প্রথম ১০ মাসেই ৪ হাজার ২৪৫ কোটি টাকা ডিজিটাল প্রতারকদের হাতে চলে গিয়েছে। উদ্বেগজনক তথ্য হল মাত্র তিন বছরে এই অঙ্ক ১২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। গত এপ্রিল থেকে সাম্প্রতিক জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমায় প্রায় ২১ লক্ষ ডিজিটাল প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে।  সংসদে এই তথ্য জানিয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। যে প্রতারণা কমার কথা ছিল, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক এবং অর্থমন্ত্রকের দাবি অনুযায়ী, সেটি ২০২২ সালের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে ৬৭ শতাংশ। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে সেন্ট্রাল পেমেন্টস ফ্রড ইনফর্মেশন রেজিস্ট্রি চালু করেছে সেখানে জমা হয়েছে ব্যাঙ্ক, নন ব্যাঙ্ক প্রিপেইড পেমেন্ট, ব্যাঙ্ক ও নন ব্যাঙ্ক ক্রেডিট কার্ড পেমেন্ট। এছাড়া ফোন কলের মাধ্যমে আর্থিক প্রতারণার ঘটনাও রয়েছে। এই সংখ্যা ক্রমবর্ধমান। 

Advertisement

সরকারি সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রতারণার অন্যতম ক্রমবর্ধমান প্রবণতা হল, সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবার বিল আপডেট করার কথা জানিয়ে কোনও লিঙ্ক পাঠানো অথবা আধার নম্বর চাওয়া এবং ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ডের নম্বর চাওয়া। মোট ১০ লক্ষ ৩০ হাজার অভিযোগের ভিত্তিতে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৩৮৬ কোটি টাকা উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানিয়েছে সরকার সংসদে। যদিও প্রকৃত প্রশ্ন ও উদ্বেগ এখনও রয়েই যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রক, সাইবার ক্রাইম বিভাগ অথবা রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নানাবিধ নতুন এআই ভিত্তিক সতর্কতার পরও কেন প্রতি বছরই ডিজিটাল প্রতারণায় সাধারণ মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ উধাও হয়ে চলে যাচ্ছে প্রতারকদের হাতে!

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ