Bartaman Logo
১৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২৪ ঘণ্টায় ধৃত ১,০৯৫, দ্বিতীয় দফায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষাই চ্যালেঞ্জ কমিশনের

দ্বিতীয় দফার ভোটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার মতোই দ্বিতীয় দফায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে চিহ্নিত দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারির ধারা অব্যাহত।

২৪ ঘণ্টায় ধৃত ১,০৯৫, দ্বিতীয় দফায় শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষাই চ্যালেঞ্জ কমিশনের
  • ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দ্বিতীয় দফার ভোটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। প্রথম দফার মতোই দ্বিতীয় দফায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে চিহ্নিত দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারির ধারা অব্যাহত। রবিবার দুপুর থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে মোট ১ হাজার ৯৫ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শেষ ৩৬ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার হয়েছে ১ হাজার ৫৪৩ জন। আগামী ২৪ ঘণ্টায় এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। 

Advertisement

কমিশনের দেওয়া জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী সবথেকে বেশি ধরপাকড় হয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায়। সেখানে ৪৭৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই তালিকায় পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল কাউন্সিলার নাড়ু ভগত রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩১৯ জনকে। রবিবার রাত থেকে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জগদ্দল। বিজেপি প্রার্থীকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে তৃণমূল কাউন্সিলার সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ২৪৬ জন। এছাড়াও কলকাতা উত্তর ১০৯, হুগলি ৪৯, নদীয়া ৩২ এবং হাওড়া জেলা থেকে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনও তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। ফলে গ্রেপ্তারির সংখ্যা আরও বাড়তে চলেছে বলে খবর।
ভোটের আবহে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য রুখতে এই ব্যাপক ধরপাকড় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশের শীর্ষ মহল জানিয়েছে, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আগামী দিনেও এই পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ভোট শুরুর আগেই ‘ট্রাবল মেকার’ অর্থাৎ অশান্তি ছড়াতে পারে, এমন ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে কমিশন। সেই তালিকা ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়। তার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। আদালত ওই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।  সোমবার বিকেলে প্রচারপর্ব শেষের পর কমিশন জানিয়েছে, এবার পাঁচ রাজ্য থেকে রেকর্ড অঙ্কের মদ, টাকা ও অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। হিসাব বলছে, এই অঙ্ক ৫০০ কোটি ছাপিয়ে গিয়েছে। মদ এবং বেআইনি টাকা সহ ৫১০ কোটির সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে মদ ও মাদক উদ্ধার হয়েছে ২৩৬ কোটি টাকার বেশি। কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, ২০২১ সালে এই অঙ্কটা ছিল কমবেশি ৩৩৯ কোটি টাকা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ