নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছর পর রাজ্যে সদ্য চালু হয়েছে ১০০ দিনের কাজ। তবে আর্থিক শৃঙ্খলা মেনে এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে এই প্রকল্প রূপায়ণ নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে নবান্ন। প্রকল্পের প্রতিটি স্তরে ‘ডিজিটাল ট্রেইল’ তৈরি করতে হবে। জিও-মনরেগা, এমআইএস তথ্য, ইলেকট্রনিক মাপজোক নথি, সামাজিক নিরীক্ষার রিপোর্ট এবং ডিজিটাল অনুমোদনের মাধ্যমে প্রকল্পের প্রতিটি পদক্ষেপ নথিভুক্ত করা হবে। যাবতীয় অনিয়মের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ সম্ভব হবে এই ‘ডিজিটাল ট্রেইল’-এর জোরে।
মুখ্যসচিবের দপ্তর থেকে জেলাশাসকদের উদ্দেশে পাঠানো নির্দেশে প্রকল্পের পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, সামাজিক নিরীক্ষা, ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ এবং অর্থপ্রদানের ক্ষেত্রে কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহৎ পরিসরে কাজ শুরু করার আগে জেলাগুলিকে রাজ্যের ২ কোটি ৫৬ লক্ষের বেশি জব কার্ড হোল্ডারদের তথ্যভাণ্ডার পরিশুদ্ধ করতে সক্রিয় কর্মীদের ১০০ শতাংশ ই-কেওয়াইসি করা হবে। কাজের জিও-ট্যাগিং, ই-এমবি রেকর্ডিং, মাস্টাররোল প্রস্তুতি, ফান্ড ট্রান্সফার অর্ডার তৈরি-সহ সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া নির্ধারিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। মজুরি প্রদানও হবে আধার-ভিত্তিক পেমেন্ট সিস্টেমে।
রাজ্য সরকার স্পষ্ট করেছে যে, প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হবে সুস্থায়ী ও উৎপাদনশীল সম্পদ সৃষ্টি। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, জল সংরক্ষণ, খরা প্রতিরোধ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ব্যবস্থা, গ্রামীণ যোগাযোগ এবং জীবিকাভিত্তিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজে।