Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আত্মঘাতী গারুলিয়ার যুবক, সুইসাইড নোটে এসআইআর আতঙ্কের উল্লেখ

গারুলিয়া পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সোদলা ট্যাঙ্ক রোড এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন দীপা মজুমদার ও তাঁর ছেলে। দীপাদেবীর ছেলে বছর ৩২-এর সুমন মজুমদার পেশায় একজন টোটোচালক।

আত্মঘাতী গারুলিয়ার যুবক, সুইসাইড নোটে এসআইআর আতঙ্কের উল্লেখ
  • ১৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: গারুলিয়া পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সোদলা ট্যাঙ্ক রোড এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন দীপা মজুমদার ও তাঁর ছেলে। দীপাদেবীর ছেলে বছর ৩২-এর সুমন মজুমদার পেশায় একজন টোটোচালক। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পাওয়া যায় একটি সুইসাইড নোটও। সেখানে তিনি বাজারে বেশ কিছু দেনা এবং এসআইআর নিয়ে উদ্বেগে থাকার কথা উল্লেখ করেছেন বলে সূত্রের খবর। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নোয়াপাড়া থানার পুলিশ। আসেন স্থানীয় কাউন্সিলার পঙ্কজ দাস। মৃতদেহ উদ্ধার করে বারাকপুরের  বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। নোয়াপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক রাকেশচন্দ্র সাধুখাঁ মৃত যুবকের মায়ের সঙ্গে কথা বলেন।

Advertisement

পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে দীপাদেবী জানান, ১০ নভেম্বর তাঁদের কাছে এসআইআরের ইনিউমারেশন ফর্ম আসে। কিন্তু সব নথি হাতের কাছে না থাকায় বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত ছিলেন সুমন। দীপাদেবীর বাপের বাড়ি বেলঘরিয়ার নিমতা এলাকায়। ছোটবেলায় তাঁর বাবা-মা মারা যান। খুব কষ্টে দিনযাপন করেন। সুমনের যখন ১৮ মাস বয়স, তখন দীপাদেবীর স্বামী মারা যান। নিজে চাকরি করে ছেলেকে বড় করছিলেন। বিভিন্ন জায়গায় ভাড়াবাড়িতে থেকেছেন। ২০০২ সালে অশোকনগরে থাকতেন। ভোটার তালিকায় নাম ছিল না। তাই খুব উদ্বেগের মধ্যে ছিলেন সুমন। এসআইআর নিয়ে মাসতুতো দাদার সঙ্গে আলোচনাও করেছিলেন। সম্প্রতি তাঁরা কিছুটা জমি কিনেছিলেন। তার জন্য বাজারে কিছু দেনাও হয়।
স্থানীয় কাউন্সিলার পঙ্কজ দাস বলেন, ‘সুমনবাবুর মায়ের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, এসআইআর নিয়ে আতঙ্কিত ছিলেন তিনি। সেই কারণেই আত্মঘাতী হয়েছেন।’ তদন্তে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা।

সম্পর্কিত সংবাদ