সংবাদদাতা, কাটোয়া: কাটোয়া শহরে পুজোর কেনাকাটা করতে বেরিয়ে প্রকাশ্যে শ্লীলতাহানির শিকার হলেন এক যুবতী। বাধা দিতে গেলে মোবাইল দিয়ে মেরে যুবতীর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। শুক্রবার দুপুরে এমন ঘটনায় কাঠগড়ায় এক প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবতী নিজেই অভিযুক্তকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম হরিশ্যাম দে। তার বাড়ি কাটোয়া থানার মুস্থলী এলাকায় বাড়ি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়া শহর এলাকার বাসিন্দা এক যুবতী তাঁর মায়ের সঙ্গে বাজারে বেরিয়েছিলেন। কাছারি রোডের কাছেই আচমকা ওই শিক্ষক যুবতীর সঙ্গে অভব্য আচরণ শুরু করে। অভিযোগ, এরপরেই ওই যুবতীর শ্লীলতাহানি করেন ওই শিক্ষক। প্রতিবাদ করতে গেলে যুবতীকে তাঁর মায়ের সামনেই মোবাইল দিয়ে মাথায় সজোরে আঘাত করে অভিযুক্ত। এরপরেই ওই যুবতী সাহসিকতার সঙ্গে অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ডাকেন। তারপরেই কাটোয়া থানার পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে। ওই শিক্ষক এর আগেও কাটোয়া শহরের বাস স্ট্যান্ডে প্রকাশ্যে এক নাবালিকা পড়ুয়ার সঙ্গে অভব্য আচরণ করেছিল। এমনকী তাকে প্রকাশ্যে মারধরও করে। তারপরেই ওই শিক্ষককে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। জামিন মিলতেই ফের এমন অভিযোগ উঠল তার বিরুদ্ধে।
ওই যুবতী বলেন, আমি বাজারে যাচ্ছিলাম পুজোর কেনাকাটা করতে। সেখানেই প্রকাশ্যে এমন ঘটনা ঘটল। আমার শরীরে হাত দিয়ে শ্লীলতাহানি করে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।