সংবাদদাতা, বারুইপুর: সরকারি জমি দখল করা যাবে না। কেউ তা করে থাকলে ব্যবস্থা নিতে হবে– এমন নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তারপরেও নরেন্দ্রপুরের কামালগাজি থেকে বারুইপুরের শাসন পর্যন্ত আদি গঙ্গার ধারে সেচদপ্তরের জায়গা দখল করে দিব্যি রয়েছেন দখলদাররা। এমনকী নতুন নতুন দোকানও গজিয়ে উঠেছে সেখানে। আগামী ২২ এপ্রিল এই জায়গায় ফেনসিং বা বেড়া দেওয়ার পাশাপাশি দখলদারদের সরানোর কাজ শুরু করবে সেচদপ্তরের মগরাহাট ড্রেনেজ ডিভিশন।
মাইকিং-এর মাধ্যমে দখলদারদের সরে যাওয়ার কথা বলা হবে। সেচদপ্তর সূত্রে খবর, মোট ১৭ কিলোমিটার জায়গায় লোহার ফেনসিং দিয়ে ঘিরে জাল দেওয়া হবে। এই কাজের জন্য ১ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা ধার্য করা হচ্ছে। সেচদপ্তরের এই জায়গা দখল করে রমরমিয়ে চলছে হোটেল, বাইক মেরামতি, ফুলের নার্সারি, চায়ের সহ নানা দোকান। কিছু জায়গায় আবার দরমা, বাঁশ রাখা আছে নির্মাণের জন্য। কেউ টিনের ছাউনি দিয়ে দোকানও করে ফেলেছেন। বারুইপুরের পদ্মপুকুর সংলগ্ন এলাকায় আদি গঙ্গার পাড় বুজিয়ে একটি রেস্তরাঁর গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গাও করে নেওয়া হয়েছে। দখলদারদের সরিয়ে ওই জায়গা ঘিরে দেওয়ার পরিকল্পনা আগেই করেছিল মগরাহাট ড্রেনেজ ডিভিশন। কিন্তু সেই পরিকল্পনা থমকে যায়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শাসকদলের স্থানীয় নেতাদের জন্যই এঁদের বাড়বাড়ন্ত। সেইজন্যই কাজ থমকে গিয়েছিল।