নয়াদিল্লি: আমেরিকার বি-২ বোমারু বিমান ঘিরে নয়া রহস্য। ইরানের ফোরদো পরমাণু কেন্দ্রে বাঙ্কার বাস্টার বোমা ফেলতে পাড়ি দিয়েছিল একঝাঁক বিমান। ট্রাম্প সরকার অভিযানের নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’। অপারেশন শেষে সবকটি বিমান কিন্তু ঘাঁটিতে ফেরেনি। সেগুলি কোথায় গেল? তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। উঠে আসছে নানা তত্ত্ব। তবে কি নতুন কোনও পরিকল্পনা করছে আমেরিকা?
ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলার মাধ্যমে পশ্চিম এশিয়ার সাম্প্রতিক লড়াইয়ে জড়িয়েছিল আমেরিকা। সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প নিজে ঘোষণা করেন, ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে মার্কিন অভিযান সফল। বিষয়টা নিয়ে গোটা বিশ্ব তোলপাড় হয়। তেজস্ক্রিয়তা ছড়ানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হন অনেকেই। তবে ইরান জানায়, কোনও তেজস্ক্রিয়তা ছড়ায়নি। আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থাও সেই দাবিকে মান্যতা দেয়। এদিকে সামনে আসতে থাকে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর খুঁটিনাটি। জানা যায়, হামলার গোপনীয়তা বজায় রাখতে বোমারু বিমানগুলির গতিপথ নিয়ে ইচ্ছাকৃত কিছু বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছিল। প্রথমে মিসৌরির ঘাঁটি থেকে বোমারু বি-২ যুদ্ধবিমানের একটি ঝাঁক উড়ান শুরু করে। কিন্তু সেই বিমানগুলির বেশিরভাগই উড়ে যায় পশ্চিমে অন্য এক মার্কিন ঘাঁটি গুয়ামের দিকে। কেবলমাত্র ৭টি স্টিলথ বিমান পূর্ব দিকে পাড়ি দেয়। এই বিমানগুলিই ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে হামলা চালায়। তারপর পরিকল্পনামাফিক হামলা চালিয়ে বিমানগুলি দেশে ফিরেও আসে। কিন্তু যে কয়েকটি বিমান স্রেফ বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য উড়েছিল, সেগুলি আর ফেরেনি। কোথায় গেল কেউ জানে না। কেবলমাত্র একটি বিমানের খোঁজ মিলেছে। হাওয়াইয়ের কাছে এক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সেটিকে জরুরি অবতরণ করানো হয়েছে বলে খবর। কিন্তু বাকি বোমারু বিমানের বর্তমান ঠিকানা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।